আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে উত্তেজনা ও নতুন বার্তা। এরই মধ্যে Jamaat-e-Islami দেশের রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তুলে ধরে ঘোষণা দিয়েছে—তারা ২০০ আসনে জয়ী হলেও একদলীয় সরকার গঠন করবে না; বরং জাতীয় সরকার গঠনের পথে হাঁটবে।
জামায়াতের শীর্ষ নেতারা বলেন, দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও প্রশাসনিক সংকটের কারণে একটি বৃহত্তর ঐক্যভিত্তিক সরকার এখন সময়ের দাবি। তাই নিজেদের জয়ের সম্ভাবনা যাই হোক, তারা ঐকমত্যে ভিত্তিক সরকারের পক্ষে কাজ করবে।
দলটির মতে, জাতীয় সরকার হলে সব রাজনৈতিক শক্তি রাষ্ট্র পরিচালনায় দায়িত্ব ভাগাভাগি করতে পারবে, যা দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে তারা দাবি করেছে—এটি হবে দেশের জন্য একটি “সম্মিলিত পুনর্গঠনের মডেল।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াতের এই ঘোষণা নির্বাচনী কৌশলের অংশ হতে পারে। বহুদলীয় অংশগ্রহণ, আন্তর্জাতিক চাপ এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের প্রয়াস হিসেবেও এটি দেখা হচ্ছে।
তবে সমালোচকরা মনে করছেন, দলটি জাতীয় সরকারের কথা বললেও তাদের নিজস্ব শক্তি, রাজনৈতিক অবস্থান এবং নির্বাচনী বাস্তবতা বিবেচনায় বহুদলীয় সমন্বয় কতটা বাস্তবসম্মত—তা সময়েই প্রমাণিত হবে।
কসমিক ডেস্ক