যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট Barack Obama–এর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট Donald Trump। তিনি দাবি করেছেন, ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি বাস্তবায়নের সময় ওবামা প্রশাসন ইরানকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ প্রদান করেছিল।
ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ওই সময়ে একটি বোয়িং ৭৫৭ বিমানে করে প্রায় ১৭০ কোটি ডলার নগদ অর্থ Iran–এ পাঠানো হয়েছিল। তার দাবি অনুযায়ী, এই অর্থ ইরানের জন্য ছিল এক ধরনের “ঘুষ” বা প্রণোদনা, যা পরমাণু চুক্তি কার্যকর করতে ব্যবহার করা হয়েছিল।
ট্রাম্প আরও বলেন, ইরান ওই অর্থ পাওয়ার পর বিস্মিত হয়েছিল এবং বিষয়টি নিয়ে তৎকালীন মার্কিন নীতির সমালোচনা করেন। তার মতে, এ ধরনের অর্থ প্রদান যুক্তরাষ্ট্রের দুর্বল কূটনৈতিক অবস্থানকে প্রকাশ করে।
তিনি দাবি করেন, তিনি নিজে ক্ষমতায় থাকলে এমন কোনো আর্থিক চুক্তিতে যেতেন না এবং ইরানের সঙ্গে সমঝোতার ক্ষেত্রে অর্থ প্রদানের পথ অনুসরণ করতেন না।
এছাড়া সম্প্রতি ইরানের জন্য প্রস্তাবিত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন তহবিল নিয়েও মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এই তহবিলে কোনো অর্থ দেবে না। তার ভাষায়, “আমরা ১০ সেন্টও দিচ্ছি না।” তবে উপসাগরীয় দেশগুলো চাইলে ইরানে বিনিয়োগ করতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিতর্ক ও ইরান নীতিকে আবারও আলোচনায় নিয়ে এসেছে। বিশেষ করে পরমাণু চুক্তি ও নিষেধাজ্ঞা নীতি নিয়ে দুই প্রশাসনের অবস্থানগত পার্থক্য আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
এই মন্তব্যের ফলে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ও বিতর্ক তৈরি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কসমিক ডেস্ক