ঈদুল আজহার জামাত শেষে রাজধানীতে তিন দিনব্যাপী কোরবানির পশু জবাইয়ের কার্যক্রম চলবে। এই সময় কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণ ও নগর পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।
সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটির ৭৫টি ওয়ার্ডে মোট ৩৫৭টি নির্ধারিত স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে কোরবানির পশু জবাই করা যাবে। নির্ধারিত এসব স্থানের একটি তালিকা ইতোমধ্যে গণমাধ্যমে সরবরাহ করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ নগরবাসীকে আহ্বান জানিয়েছে নির্ধারিত স্থানেই কোরবানি সম্পন্ন করতে, যাতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সহজ ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা যায়।
ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার জানিয়েছেন, নির্ধারিত স্থানে কোরবানি করা হলে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম দ্রুত ও সহজ হবে। এতে শহরের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা সম্ভব হবে এবং জনদুর্ভোগ কমবে।
এর আগে কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত এক প্রেসব্রিফিংয়ে ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালাম নগরবাসীর প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন কর্তৃক নির্ধারিত স্থানেই কোরবানি করতে হবে। কোরবানির পশুর বর্জ্য ব্যাগে ভরে নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে হবে, যাতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা সহজে তা সংগ্রহ করতে পারেন।
প্রশাসন আরও জানিয়েছে, ঈদের পর তিন দিন ধরে রাজধানীতে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম চলবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় জনবল, যানবাহন ও পরিচ্ছন্নতা সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে নগরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে সবার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
নগর কর্তৃপক্ষের মতে, পরিকল্পিতভাবে নির্ধারিত স্থানে কোরবানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে রাজধানীকে দ্রুতই পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব হবে।
কসমিক ডেস্ক