আসন্ন পবিত্র Eid al-Fitr উপলক্ষে বাংলাদেশের যাত্রীরা শুরু করেছেন রেলযাত্রার পরিকল্পনা। বাংলাদেশ রেলওয়ে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল থেকে ঈদযাত্রার জন্য আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে। বিশেষভাবে, যারা ১৫ মার্চ ভ্রমণ করবেন, তাদের আজ (৫ মার্চ) টিকিট সংগ্রহ করতে হবে।
রেলওয়ের সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের জন্য নির্ধারিত বিক্রির সূচি আগেই ঘোষণা করা হয়েছে। ১৬ মার্চের টিকিট ৬ মার্চ, ১৭ মার্চের টিকিট ৭ মার্চ, ১৮ মার্চের টিকিট ৮ মার্চ এবং ১৯ মার্চের টিকিট ৯ মার্চ থেকে বিক্রি শুরু হবে। সব টিকিট অগ্রিম বিক্রির মাধ্যমে যাত্রীদের সুবিধার্থে নিশ্চিত করা হচ্ছে।
ঈদযাত্রার জন্য ট্রেনের সমস্ত আসন অনলাইনে বিক্রি করা হবে। এতে করে যাত্রীরা ভিড় এড়াতে পারবেন এবং যাত্রা সুবিধাজনক হবে। রেলওয়ে জানিয়েছে, পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট বিক্রি সকাল ৮টা থেকে শুরু হবে, আর পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের জন্য বিক্রি দুপুর ২টা থেকে চালু থাকবে।
যাত্রীদের সুবিধার্থে রেলওয়ে তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট এবং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সহজে টিকিট সংগ্রহের সুযোগ দিয়েছে। আগ্রহী যাত্রীরা অনলাইনে লগইন করে নির্ধারিত তারিখ ও ট্রেন নির্বাচন করে টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন।
এ বছরের ঈদযাত্রা অন্যান্য বছরের তুলনায় বড় এবং ভিড়পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় রেলওয়ে বিশেষ নজর রাখছে। ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি, অতিরিক্ত কোচ সংযুক্তি এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীদের জন্য ট্রেনের বিক্রির সময় সকাল ৮টা নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে যাত্রীরা দ্রুত টিকিট সংগ্রহ করতে পারেন। পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের যাত্রীদের সুবিধার্থে বিক্রির সময় দুপুর ২টা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে করে প্রতিটি অঞ্চলের মানুষের জন্য নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টিকিট সহজে পাওয়া যাবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে জানিয়েছে, অগ্রিম টিকিট সংগ্রহের মাধ্যমে যাত্রীদের যাত্রা নিশ্চয়তা দেওয়া হবে এবং ঈদে বাড়ি ফেরা বা ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি কমানো সম্ভব হবে। অনলাইনের মাধ্যমে টিকিট বিক্রির ফলে দীর্ঘ লাইন ও তল্লাশি এড়ানো যাবে।
সব মিলিয়ে, আজ থেকে ১৫ মার্চের ট্রেনের টিকিট সংগ্রহের সুযোগ যাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যারা ঈদে বাড়ি ফিরবেন, তাদের রেলওয়ে অফিস বা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে আগে টিকিট সংগ্রহ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এভাবে রেলওয়ে নিশ্চিত করছে যে, এই ঈদযাত্রা সহজ, নিরাপদ এবং সুষ্ঠু হবে।
কসমিক ডেস্ক