সাংবাদিক আনিস আলমগীর কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২-এর জেল সুপার মো. আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, গতকাল শুক্রবার আনিস আলমগীরের জামিনের কাগজ কারাগারে পৌঁছায়।
পরে নিয়ম অনুযায়ী কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।
মুক্তির সময় কারাগারের সামনে তার স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, আনিস আলমগীরের মুক্তির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই তাকে কারামুক্ত করা হয়।
আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আদালতের জামিন আদেশ কারাগারে পৌঁছানোর পর তা যাচাই করা হয় এবং এরপর প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদনের মাধ্যমে মুক্তির ব্যবস্থা করা হয়।
কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পরই তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
মুক্তির সময় তার স্বজনরা কারাগারের বাইরে অপেক্ষা করছিলেন।
দুপুরে মুক্তি পাওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কারাগার ত্যাগ করেন তিনি।
সাংবাদিক আনিস আলমগীর দেশের গণমাধ্যম অঙ্গনে পরিচিত একটি নাম।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম বিশ্লেষণের সঙ্গে যুক্ত আছেন।
বিভিন্ন সময় টেলিভিশন টকশো, সংবাদ বিশ্লেষণ এবং কলাম লেখার মাধ্যমে তিনি সমসাময়িক রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয় নিয়ে মতামত প্রকাশ করেছেন।
তার কারামুক্তির খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
অনেকেই তার মুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
তবে তার গ্রেপ্তার বা মামলার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তথ্য কারা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি।
এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
কারামুক্তির পর তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাবেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে তার পরিবারের পক্ষ থেকেও সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিন পর তাকে মুক্ত অবস্থায় ফিরে পেয়ে তারা স্বস্তি অনুভব করছেন।
এদিকে তার মুক্তিকে কেন্দ্র করে গণমাধ্যম অঙ্গনেও আলোচনা শুরু হয়েছে।
সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের অনেকেই আশা প্রকাশ করেছেন যে ভবিষ্যতেও তিনি সাংবাদিকতা ও বিশ্লেষণমূলক কাজের মাধ্যমে দেশের সমসাময়িক বিষয়ে ভূমিকা রাখবেন।
কসমিক ডেস্ক