বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার: বরিশালে বিএনপিতে ফিরলেন আরও ১২ নেতা The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার: বরিশালে বিএনপিতে ফিরলেন আরও ১২ নেতা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jan 10, 2026 ইং
বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার: বরিশালে বিএনপিতে ফিরলেন আরও ১২ নেতা ছবির ক্যাপশন:
ad728

দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অভিযোগে স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত বরিশালের আরও ১২ নেতাকে দলে ফিরিয়ে নিয়েছে বিএনপি। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসব নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাদের প্রাথমিক সদস্যপদ পুনর্বহাল করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বরিশাল সিটি নির্বাচনের সময় বহিষ্কৃত ১৯ জন নেতার মধ্যে এ পর্যন্ত ১৫ জনের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হলো।

যাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন—২০২৩ সালের বরিশাল সিটি নির্বাচনের মেয়র প্রার্থী ও বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র আহসান হাবিব কামালের ছেলে কামরুল আহসান রুপন, মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মো. ফিরোজ আহমেদ, ২৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. ফরিদ উদ্দিন হাওলাদার, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য সৈয়দ হাবিবুর রহমান ফারুক, ২৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য সৈয়দ হুমায়ুন কবির লিংকু।

এ ছাড়া মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য ও ৫ নম্বর ওয়ার্ড মহিলা দলের সভানেত্রী জাহানারা বেগম, ২৪ নম্বর ওয়ার্ড মহিলা দলের সভানেত্রী সেলিনা বেগম, ৩০ নম্বর ওয়ার্ড মহিলা দলের সভানেত্রী রাশিদা পারভীন, মহানগর মহিলা দলের সাবেক সহ-সভাপতি জেসমিন সামাদ শিল্পী, ১৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য সিদ্দিকুর রহমান এবং ১৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য জাবের আব্দুল্লাহ সাদী রয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে অংশ নেওয়ার অভিযোগে কামরুল আহসান রুপনসহ বিএনপির ১৯ নেতাকে একই বছরের ৪ জুন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়। ওই সময় দলীয় বিজ্ঞপ্তিতে তাদের ‘বেইমান’, ‘বিশ্বাসঘাতক’ ও ‘মীর জাফর’ আখ্যা দিয়ে বলা হয়েছিল, আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ নিয়ে তারা গণতন্ত্রকামী জনগোষ্ঠী এবং খুন–গুমের শিকার পরিবারগুলোর প্রত্যাশার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন।

সর্বশেষ বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং নীতি ও আদর্শ পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের জন্য তাদের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তবে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৯ জানুয়ারি থেকে সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়েছে।

এর আগে, গত ৭ জানুয়ারি বরিশাল মহানগর বিএনপির সাবেক তিন যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ্ আমিনুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান টিপু ও হারুন অর রশিদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়। বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়া নেতাদের মধ্যে একাধিক সাবেক সিটি কাউন্সিলারও রয়েছেন।

এদিকে বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীদের অভিযোগ, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত প্রশ্নবিদ্ধ সিটি নির্বাচনে অংশ নিয়ে বরিশালের এসব নেতা নির্বাচনের বৈধতা দেওয়ার ভূমিকা রেখেছিলেন। দলীয় সিদ্ধান্তে সাম্প্রতিক পরিবর্তন ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
গুমের রাজনীতি বন্ধে গোয়েন্দা সংস্থাকে জবাবদিহির আওতায় আনার দ

গুমের রাজনীতি বন্ধে গোয়েন্দা সংস্থাকে জবাবদিহির আওতায় আনার দ