প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৯১ জনে। এদিকে বছরজুড়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯৬ হাজার ৬৭ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, বছরের অন্যান্য মাসের তুলনায় নভেম্বরেই সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে—মোট ১০৪ জন। এর আগে অক্টোবর মাসে ৮০ জন এবং সেপ্টেম্বরে ৭৬ জন রোগী ডেঙ্গুতে মারা যান। এছাড়া আগস্টে ৩৯, জুলাইয়ে ৪১, জুনে ১৯, মে মাসে তিনজন, এপ্রিলে সাতজন, ফেব্রুয়ারিতে তিনজন এবং জানুয়ারিতে ১০ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়। মার্চ মাসে ডেঙ্গুতে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
অন্যদিকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যাও মাসজুড়ে ধাপে ধাপে বেড়েছে। জানুয়ারিতে ভর্তি হন ১ হাজার ১৬১ জন, ফেব্রুয়ারি ৩৭৪, মার্চ ৩৩৬, এপ্রিল ৭০১ এবং মে মাসে ১ হাজার ৭৭৩ জন। জুনে এই সংখ্যা বেড়ে হয় ৫ হাজার ৯৫১। আগস্টে হাসপাতালে ভর্তি রোগী ১০ হাজার ৪৯৬ জনে পৌঁছায়। সেপ্টেম্বরে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ৮৬৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হন। এরপর অক্টোবর মাসে ভর্তি ২২ হাজার ৫২০ জন এবং নভেম্বরে আরও বেড়ে দাঁড়ায় ২৪ হাজার ৫৩৫ জনে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতের শুরুতে ডেঙ্গুর সংক্রমণ কমার কথা থাকলেও চলতি বছর পরিস্থিতি স্বাভাবিকের বাইরে থাকায় বাড়তি সতর্কতা জরুরি। স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জনসাধারণকে মশা নিয়ন্ত্রণে ঘরবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখা এবং সামান্য জ্বর হলেও দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
কসমিক ডেস্ক