জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন পাপিয়া সুলতানা। তার গবেষণার বিষয় ছিল নারী শিক্ষা প্রসারে ঢাকা শহরের নির্বাচিত সরকারি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়সমূহের ভূমিকা, যেখানে ১৯৭২ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সময়কালকে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
তার পিএইচডি গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম জসীম উদ্দীন এবং যুগ্ম তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. এম নূরুল ইসলাম। গবেষণাকাজে স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে নারী শিক্ষার বিস্তারে সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন করা হয়েছে।
জানা যায়, পাপিয়া সুলতানা এর আগে ২০২০ সালে একই বিভাগ থেকে এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেন। পাশাপাশি তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ, এমএড এবং এলএলবি ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন, যা তার বহুমাত্রিক একাডেমিক প্রস্তুতির সাক্ষ্য বহন করে।
ড. পাপিয়া সুলতানা মানিকগঞ্জের বাসিন্দা। তিনি প্রয়াত অ্যাডভোকেট ও কবি মো. মহিদুর রহমান এবং প্রয়াত খোরশেদা বেগমের জ্যেষ্ঠ কন্যা। পেশাগত জীবনে তিনি ১৯৯২ সালে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন এবং দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের শেষে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে সহকারী প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন।
তার এই একাডেমিক অর্জন শিক্ষকতা ও গবেষণাক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবার জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশের নারী শিক্ষা ও ইতিহাসভিত্তিক গবেষণার ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তিনি সবার কাছে দোয়া ও শুভকামনা প্রত্যাশা করেছেন।
কসমিক ডেস্ক