২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য আবারও ফরম পূরণের সময় বৃদ্ধি করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিলম্ব ফিসহ আগামী ১৫ থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা তাদের ফরম পূরণ করতে পারবেন।
সোমবার (১ জুন) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর জেসমিন তাসলিমা বানু স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বোর্ডের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে অবগত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময়সীমা পূর্বে নির্ধারিত সময় অতিক্রম করলেও অনেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফরম পূরণ করতে পারেননি। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষার্থীদের আরেকটি সুযোগ দিতে সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, বিলম্ব ফিসহ ফরম পূরণের কার্যক্রম চলবে ১৫ ও ১৬ জুন পর্যন্ত। একই সঙ্গে ফরম পূরণের ফি ‘সোনালী সেবা’ এর মাধ্যমে পরিশোধের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ জুন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা বোর্ডের এ সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের জন্য একটি স্বস্তির খবর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে যারা নানা সমস্যার কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফরম পূরণ করতে পারেননি, তাদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। তবে বোর্ড স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, বর্ধিত সময়ের পর আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।
এ কারণে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে কোনো শিক্ষার্থী এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ফরম পূরণের সময়সীমা বৃদ্ধি করার ফলে অনেক শিক্ষার্থী তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ ফিরে পাবে। তবে তারা এও উল্লেখ করেন যে, শিক্ষার্থীদের উচিত ভবিষ্যতে নির্ধারিত সময়সীমা মেনে চলা, যাতে এ ধরনের সমস্যার সম্মুখীন না হতে হয়।
সবশেষে বলা যায়, শিক্ষা বোর্ডের এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক পদক্ষেপ। এখন সময়মতো ফরম পূরণ সম্পন্ন করে আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেওয়াই শিক্ষার্থীদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।
কসমিক ডেস্ক