এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ জুলাই, পরীক্ষার্থী ১২ লাখ ৬৭ হাজার The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ জুলাই, পরীক্ষার্থী ১২ লাখ ৬৭ হাজার

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jun 30, 2026 ইং
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ জুলাই, পরীক্ষার্থী ১২ লাখ ৬৭ হাজার ছবির ক্যাপশন:

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই)। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য এই পরীক্ষায় নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে ১২ লাখ ৬৭ হাজার ৪৮৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবেন। সারা দেশের ২ হাজার ৬৯৭টি পরীক্ষা কেন্দ্রে একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

সব শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলবে। তবে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে নিজ নিজ কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেন্দ্রে উপস্থিত হওয়া বাধ্যতামূলক এবং বিশেষ পরিস্থিতিতে দেরিতে আসা পরীক্ষার্থীদের তথ্য রেজিস্টারে সংরক্ষণ করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বোর্ডভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এবারও সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে। এই বোর্ডের ৩১০টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেবেন ৩ লাখ ৩৯৩ জন শিক্ষার্থী।

এছাড়া রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের ২০৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৩০ জন, দিনাজপুর বোর্ডের ২১২টি কেন্দ্রে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৭৯ জন, যশোর বোর্ডের ২৪০টি কেন্দ্রে ১ লাখ ১৭ হাজার ২১০ জন এবং চট্টগ্রাম বোর্ডের ১১৪টি কেন্দ্রে ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবেন।

অন্যদিকে, সিলেট বোর্ডের ৯৬টি কেন্দ্রে ৭১ হাজার ৭১১ জন, কুমিল্লা বোর্ডের ১৯৩টি কেন্দ্রে ৯৪ হাজার ৮০২ জন, ময়মনসিংহ বোর্ডের ১১১টি কেন্দ্রে ৭৩ হাজার ৩৭ জন এবং বরিশাল বোর্ডের ১৪২টি কেন্দ্রে ৫৮ হাজার ৬৬৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেবেন।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪৬১টি কেন্দ্রে মোট ৯২ হাজার ৯০৫ জন আলিম পরীক্ষার্থী অংশ নেবেন। এছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ৬১০টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী রয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন

পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত রাখতে শিক্ষা বোর্ডগুলো একাধিক বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে। প্রতিটি পরীক্ষার কক্ষে প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য একজন করে কক্ষ পরিদর্শক থাকবেন এবং কোনো কক্ষে দুইজনের কম দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। পরীক্ষার্থীদের বসার ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট মানদণ্ড অনুসরণ করতে হবে।

প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তায় রাখা হয়েছে একাধিক স্তরের ব্যবস্থা। পরীক্ষা শুরুর আগে প্রশ্নপত্র ট্রেজারি বা থানা লকারে সংরক্ষণ করা হবে এবং পরীক্ষার দিন পুলিশি নিরাপত্তায় কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হবে। নির্ধারিত সেট কোড পাওয়ার পরই প্রশ্নপত্র খোলার অনুমতি থাকবে। অন্য কোনো সেট ব্যবহার করে পরীক্ষা গ্রহণ করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এবার সব পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ক্যামেরার তথ্য, ডিভিআর বা এনভিআর সংযোগ এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত তথ্য শিক্ষা বোর্ডে জমা দিতে হবে। সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে। কোথাও সিসিটিভি অকার্যকর পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও একই বিধিনিষেধ থাকবে। এছাড়া টয়লেট তল্লাশি, প্রশ্ন ও উত্তরপত্র পরিবহনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র পৃথকভাবে সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পরীক্ষা চলাকালে সার্বিক সমন্বয় ও জরুরি যোগাযোগ নিশ্চিত করতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড বিশেষ কন্ট্রোল রুম চালু করেছে। পরীক্ষা-সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য বা জরুরি প্রয়োজনে নির্ধারিত ফোন নম্বর ও ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করা যাবে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
ট্রেনে ঈদযাত্রা: ১৫ মার্চের টিকিট আজ থেকে সংগ্রহযোগ্য

ট্রেনে ঈদযাত্রা: ১৫ মার্চের টিকিট আজ থেকে সংগ্রহযোগ্য