রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আগামী বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদের অধিবেশনকক্ষে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা। এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী মঙ্গলবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় নির্ধারিত ছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় দুই প্রার্থীর মধ্যেই ভোট হবে।
মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে সংবাদ সম্মেলনে ভোটগ্রহণের বিস্তারিত প্রক্রিয়া তুলে ধরেন ইসি সচিব। তিনি জানান, ভোট শুরুর আগে নির্বাচনকর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংসদ সদস্যদের ভোট দেওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করবেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ব্যালট পেপারে দুটি অংশ থাকবে। একটি মুড়ি অংশ এবং অন্যটি মূল ব্যালট। মুড়ি অংশে ক্রমিক নম্বর, ভোটদানকারী সংসদ সদস্যের নাম ও বিভক্তি নম্বর থাকবে। নির্ধারিত স্থানে নাম লিখে স্বাক্ষর করার পর সংসদ সদস্য মূল ব্যালট গ্রহণ করবেন।
মূল ব্যালটের ডান পাশে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম বাংলা বর্ণমালার আদ্যাক্ষর অনুযায়ী মুদ্রিত থাকবে। সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর নামের পাশে নির্ধারিত স্থানে পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করে ভোট দিতে হবে। পরে ব্যালট নির্ধারিত বাক্সে জমা দিতে হবে।
বিকেল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই ব্যালট গণনা শুরু হবে। মোট ৩৪৯ জন ভোটারের মধ্যে কতজন ভোট দিয়েছেন, কতটি ব্যালট বৈধ বা বাতিল হয়েছে এবং কতটি ব্যালট অব্যবহৃত রয়েছে—এসব হিসাব করা হবে। এরপর প্রার্থীদের প্রাপ্ত বৈধ ভোট গণনা করে বেশি ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করবেন নির্বাচনকর্তা।
পরে নির্বাচন কমিশনে ফিরে ফলাফলের ভিত্তিতে গেজেট প্রকাশ করা হবে।
কসমিক ডেস্ক