দক্ষিণ আমেরিকার দেশ Guyana-এ ভয়াবহ ফেরি দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪১ জনে দাঁড়িয়েছে। MV Barima নামের ফেরিটি গত শনিবার গভীর রাতে উল্টে যাওয়ার পর এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী Mark Phillips।
প্রধানমন্ত্রী জানান, দুর্ঘটনার পর এখন পর্যন্ত ৭৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে এখনও অনেক যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের খুঁজে বের করতে উদ্ধার অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
উদ্ধারকাজে বর্তমানে ১৬টি নৌযান অংশ নিচ্ছে। অনুসন্ধান এলাকা বাড়িয়ে প্রায় ৪০০ বর্গমাইল (প্রায় ১,০৩৬ বর্গকিলোমিটার) পর্যন্ত বিস্তৃত করা হয়েছে, যা বারিমা-ওয়াইনি অঞ্চলের ওয়াইনি পয়েন্ট পর্যন্ত পৌঁছেছে। এই এলাকা Atlantic Ocean-এর মোহনায় অবস্থিত এবং ভেনেজুয়েলা সীমান্তসংলগ্ন উপকূলীয় অঞ্চল।
কর্তৃপক্ষ জানায়, নিখোঁজদের সন্ধানে স্থানীয় জেলেদের পাশাপাশি ফরাসি গায়ানা থেকে পাঠানো উদ্ধারকারী দলও কাজ করছে। এতে ফরাসি সেনাবাহিনীর ডুবুরি, চিকিৎসক ও প্রকৌশলীরা অংশ নিয়েছেন।
দুর্ঘটনার পর যাত্রীসংখ্যা নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি দেখা দেয়। প্রথমে যাত্রী তালিকায় ১৩৩ জনের নাম থাকলেও পরে সরকার নিশ্চিত করে যে ফেরিটিতে মোট ১৭৯ জন যাত্রী ছিলেন।
এদিকে দুর্ঘটনার কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত চলছে এবং ফেরিটির দুই নাবিকের মাদক পরীক্ষার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী মার্ক ফিলিপস বলেন, এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য নিখোঁজদের দ্রুত খুঁজে বের করা এবং উদ্ধার তৎপরতা সফলভাবে সম্পন্ন করা।দক্ষিণ আমেরিকার দেশ Guyana-এ ভয়াবহ ফেরি দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪১ জনে দাঁড়িয়েছে। MV Barima নামের ফেরিটি গত শনিবার গভীর রাতে উল্টে যাওয়ার পর এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী Mark Phillips।
প্রধানমন্ত্রী জানান, দুর্ঘটনার পর এখন পর্যন্ত ৭৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে এখনও অনেক যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের খুঁজে বের করতে উদ্ধার অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
উদ্ধারকাজে বর্তমানে ১৬টি নৌযান অংশ নিচ্ছে। অনুসন্ধান এলাকা বাড়িয়ে প্রায় ৪০০ বর্গমাইল (প্রায় ১,০৩৬ বর্গকিলোমিটার) পর্যন্ত বিস্তৃত করা হয়েছে, যা বারিমা-ওয়াইনি অঞ্চলের ওয়াইনি পয়েন্ট পর্যন্ত পৌঁছেছে। এই এলাকা Atlantic Ocean-এর মোহনায় অবস্থিত এবং ভেনেজুয়েলা সীমান্তসংলগ্ন উপকূলীয় অঞ্চল।
কর্তৃপক্ষ জানায়, নিখোঁজদের সন্ধানে স্থানীয় জেলেদের পাশাপাশি ফরাসি গায়ানা থেকে পাঠানো উদ্ধারকারী দলও কাজ করছে। এতে ফরাসি সেনাবাহিনীর ডুবুরি, চিকিৎসক ও প্রকৌশলীরা অংশ নিয়েছেন।
দুর্ঘটনার পর যাত্রীসংখ্যা নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি দেখা দেয়। প্রথমে যাত্রী তালিকায় ১৩৩ জনের নাম থাকলেও পরে সরকার নিশ্চিত করে যে ফেরিটিতে মোট ১৭৯ জন যাত্রী ছিলেন।
এদিকে দুর্ঘটনার কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত চলছে এবং ফেরিটির দুই নাবিকের মাদক পরীক্ষার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী মার্ক ফিলিপস বলেন, এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য নিখোঁজদের দ্রুত খুঁজে বের করা এবং উদ্ধার তৎপরতা সফলভাবে সম্পন্ন করা।
কসমিক ডেস্ক