নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ায় ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ায় ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jan 20, 2026 ইং
নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ায় ক্ষোভ ঝাড়লেন ট্রাম্প ছবির ক্যাপশন:
ad728

নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একের পর এক যুদ্ধ থামানোর দাবি করলেও নোবেল কমিটি তাকে উপেক্ষা করায় তিনি প্রকাশ্যে হতাশা ও অভিমানের কথা জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছেন, এখন থেকে শান্তির আদর্শ নয়—আমেরিকার জাতীয় স্বার্থই হবে তার একমাত্র অগ্রাধিকার

সম্প্রতি নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গার স্টোর–কে পাঠানো এক চিঠিতে নিজের ক্ষোভের কথা স্পষ্ট ভাষায় তুলে ধরেন ট্রাম্প। গেল সপ্তাহে পাঠানো ওই চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বজুড়ে অন্তত আটটি সংঘাত থামাতে ভূমিকা রাখার পরও নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ায় তিনি গভীরভাবে হতাশ।

চিঠিতে ট্রাম্প লেখেন, “আমি আটটি যুদ্ধ থামিয়েছি। অথচ নরওয়ে নোবেল দিল না। তাই এখন থেকে আমি আর শান্তির ধার ধরি না। আমি সেটাই করব, যা আমেরিকার জন্য ভালো।” তার এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, নোবেল না পাওয়ার ক্ষোভ থেকেই ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতিতে আরও জাতীয়তাবাদী ও আগ্রাসী অবস্থান স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি আবারও আলোচনায় এনেছেন গ্রিনল্যান্ডের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার প্রসঙ্গ।

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ট্রাম্প বলেন, “কয়েকশ বছর আগে একটি নৌকা সেখানে ভিড়েছিল বলেই কেউ ওই ভূখণ্ডের মালিক হতে পারে না।” তার দাবি, ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডকে রাশিয়া বা চীনের মতো শক্তিধর দেশের প্রভাব থেকে রক্ষা করতে পারবে না। তাই বৈশ্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রিনল্যান্ডের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সম্পূর্ণ ও পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন

এর আগেও ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড কেনার প্রস্তাব দিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন। যদিও ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড কর্তৃপক্ষ তখন তা স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করে। তবে নোবেল ইস্যুর পর ট্রাম্পের বক্তব্যে বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে, যা ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র–ইউরোপ সম্পর্ককে নতুন করে চাপে ফেলতে পারে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ট্রাম্পের এই অবস্থান শুধু নোবেল পুরস্কার বিতর্কেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি তার সামগ্রিক পররাষ্ট্রনীতির একটি দিকনির্দেশনা হিসেবেও দেখা হচ্ছে। শান্তি প্রতিষ্ঠার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি না পেয়ে তিনি এখন স্পষ্টভাবে জানাচ্ছেন—আন্তর্জাতিক প্রশংসার চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত ও ভূরাজনৈতিক স্বার্থই তার কাছে মুখ্য

নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ার হতাশা থেকে শুরু হয়ে গ্রিনল্যান্ডের মতো স্পর্শকাতর ভূখণ্ড নিয়ে এমন বক্তব্য বিশ্ব রাজনীতিতে কী ধরনের প্রভাব ফেলবে—সেদিকেই এখন নজর আন্তর্জাতিক মহলের।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
দিল্লির বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করল বাংলাদেশ

দিল্লির বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করল বাংলাদেশ