যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড বাতিল, কাসেম সোলেমানির স্বজনদের গ্রেপ্তার The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড বাতিল, কাসেম সোলেমানির স্বজনদের গ্রেপ্তার

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Apr 5, 2026 ইং
যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড বাতিল, কাসেম সোলেমানির স্বজনদের গ্রেপ্তার ছবির ক্যাপশন:

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল পুলিশ তেহরানের প্রখ্যাত সামরিক নেতা কাসেম সোলেমানির পরিবারের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। এর মধ্যে রয়েছেন তার ভাতিজি হামিদেহ সোলেমানি আফসার এবং তার মেয়ে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর নির্দেশে তাদের গ্রিন কার্ড বাতিল করা হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি প্রদান করে। বর্তমানে তারা যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিই) হেফাজতে রয়েছেন। গ্রেপ্তার স্থান সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামিদেহ সোলেমানি আফসার লস অ্যাঞ্জেলেসে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছিলেন, যা তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রমাণে ধরা পড়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রকাশ করা তথ্য অনুযায়ী, তিনি ইরানের কর্তৃত্ববাদী ও সন্ত্রাসী শাসনের প্রকাশ্য সমর্থক। তিনি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলার প্রশংসা করেছেন, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে সমর্থন জানিয়েছেন এবং আইআরজিসি, যা একটি ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন, তার প্রতি অটল সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।

গ্রিন কার্ড বাতিলের পাশাপাশি হামিদেহ সোলেমানি আফসারের স্বামীর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ইরাকের বাগদাদ এয়ারপোর্টে কাসেম সোলেমানিকে ড্রোন হামলায় হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র, তখনও প্রেসিডেন্ট ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সোলেমানির মেয়ে নারজেস সোলেমানির বরাত দিয়ে ইরানি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তার পরিবারের কেউ কখনো যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেনি এবং হামিদেহ তার ভাতিজি নয়, দুইজন ভাতিজা ছিল।

এর আগে মার্কো রুবিও জানিয়েছিলেন, ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সাবেক সেক্রেটারি আলী লারিজানির কন্যা আর্দেশির লারিজানি এবং তার স্বামী সাঈদ কালান্তর মোতামেদির গ্রিন কার্ডসহ সব অভিবাসনের মর্যাদা বাতিল করা হয়েছে। তারা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে এবং আর কখনো দেশে ফিরতে পারবেন না।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মনে করিয়ে দিয়েছে, যারা ‘আমেরিকা-বিরোধী সন্ত্রাসী শাসকের সমর্থক’ এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ, তাদেরকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের অনুমতি দেওয়া হবে না। দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিবাসী নীতিতে কঠোর পদক্ষেপ নেন এবং অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেন।

এই গ্রেপ্তার ও গ্রিন কার্ড বাতিলের ঘটনা ইরানের প্রভাবশালী সামরিক নেতার পরিবারের সদস্যদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন। মার্কিন প্রশাসন বারবার জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলাকে সবসময় অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
হাদি হত্যা মামলায় ভারতের আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি ফয়সালের

হাদি হত্যা মামলায় ভারতের আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি ফয়সালের