আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি মসজিদে জুমার নামাজের পর শিশু-কিশোরদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করতে দেখা গেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। এসময় উপস্থিত শিশুরা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করায় আনন্দঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়।
জুমার নামাজ শেষে মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী শিশুপ্রেমী ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণে নজর কাড়েন। ছোটরা তাদের নিজস্ব সরল ও উদার মনের প্রশ্নের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে একটি হাসিমাখা পরিবেশ তৈরি করে। এক শিশু প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করে, “আপনি রোজা রাখেন?” এ প্রশ্নে উপস্থিত সকলের মুখে হাসি ফুটে ওঠে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশুটির প্রশ্নের উত্তরে বলেন, “আমি তো রোজা রাখি।” এই সংলাপ শিশুরা শুনে খুশি হয়। আরও এক শিশু প্রণোদিত হয়ে বলেন, “আঙ্কেল, আমি সব রোজা রাখি।” প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশুটির মাথায় হাত বুলিয়ে প্রশংসা জানান এবং বলেন, “ভেরি গুড।” এই সহজ ও আন্তরিক আচরণে শিশুরা বিশেষভাবে আনন্দিত হয়।
শিশুদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রধানমন্ত্রী সবার সঙ্গে হাত মেলান এবং তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। শিশু-কিশোররা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি আলাপচারিতায় মেতে ওঠে এবং তার মৃদু ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণে তারা স্বাভাবিকভাবে আনন্দ অনুভব করে।
মসজিদ প্রাঙ্গণে উপস্থিত অভিভাবকরা জানান, শিশুদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সান্নিধ্য শিশুদের মধ্যে নৈতিক ও সামাজিক শিক্ষা জাগ্রত করার পাশাপাশি সৌহার্দ্য ও বিনয়বোধ তৈরি করে। ছোটরা যখন সরাসরি প্রশ্ন করে, তখন তারেক রহমানের সহজ ও প্রাণবন্ত উত্তর শিশুরা গভীরভাবে গ্রহণ করে।
এ ধরনের মুহূর্ত শিশুদের মনে রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতাদের প্রতি ইতিবাচক ধারণা তৈরি করে। বিশেষত রোজা সংক্রান্ত সরল প্রশ্নের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর সহজবোধ্য আচরণ শিশুদের কাছে একটি প্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়ায়।
শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের এসময় প্রধানমন্ত্রীর বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব এবং বিনয়বোধ প্রকাশিত হয়। উপস্থিতরা বলেন, শিশুদের সঙ্গে এমন সরাসরি আলাপ সাধারণত খুব কম সময়ই ঘটে এবং এটি শিশুরা সহজে ভুলে না। তাদের সঙ্গে হাসি-খুশি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে কাটানো মুহূর্তগুলো তাদের জীবনে একটি আনন্দময় স্মৃতি হয়ে থাকে।
এবারের জুমার নামাজ ও পরবর্তী কুশল বিনিময় শিশুরা দীর্ঘদিন মনে রাখবে। প্রধানমন্ত্রীর সরল ও আন্তরিক আচরণ শিশুদের মধ্যে সামাজিক শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও বিনয়বোধ গড়ে তুলতে সহায়ক। একইসঙ্গে এটি একটি ইতিবাচক রাজনৈতিক ও মানবিক উদাহরণ হিসেবে স্থানীয় সম্প্রদায় ও পরিবারের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
শিশুদের প্রশ্ন, “আপনি রোজা রাখেন?” এবং প্রধানমন্ত্রীর স্নেহপূর্ণ উত্তর, “আমি তো রোজা রাখি,”—এই সংলাপটি সাংবাদিকদের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এবং সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিশেষত শিশু-কিশোররা যখন সরাসরি নেতাদের সঙ্গে কথোপকথনে যুক্ত হয়, তখন তাদের মধ্যে নৈতিক ও সামাজিক শিক্ষা আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
কসমিক ডেস্ক