সংরক্ষিত নারী আসন,কুড়িগ্রামে তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত হিসাব-নিকাশ The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

সংরক্ষিত নারী আসন,কুড়িগ্রামে তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত হিসাব-নিকাশ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Feb 20, 2026 ইং
সংরক্ষিত নারী আসন,কুড়িগ্রামে তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত হিসাব-নিকাশ ছবির ক্যাপশন:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দেশের ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট রোজার মাঝেই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ ঘোষণার পর রাজনৈতিক দলগুলো সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য প্রার্থী মনোনয়নের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এরই প্রেক্ষাপটে সারাদেশের মতো কুড়িগ্রাম জেলাতেও নারী নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা ও আগ্রহ বেড়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ৩৫ জন নারী সংসদ সদস্য মনোনীত করার প্রক্রিয়া চলছে। এ খবর কুড়িগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন কমিটি পর্যায়ে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম, তাদের সাংগঠনিক দক্ষতা ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা।

স্থানীয় পর্যায়ে বেশ কয়েকজন নারী নেতা দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় রয়েছেন। সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তাদের নামও আলোচনায় উঠে এসেছে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের একটি অংশ মনে করেন, তৃণমূল পর্যায়ে দীর্ঘদিন কাজ করে আসা নেত্রীদের মনোনয়ন দেওয়া হলে কুড়িগ্রামের প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী হবে।

দলীয় ও রাজনৈতিক মহলে যেসব নারী নেত্রীর নাম শোনা যাচ্ছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মমতাজ হোসেন লিপি, জেলা মহিলা দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক নাজমুন নাহার বিউটি, বিশিষ্ট কার্ডিওলজিস্ট ডা. রেয়ান আনিস, জেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক রেশমা সুলতানা এবং জেলা মহিলা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শামীমা রহমান আপন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংসদে কুড়িগ্রামের একজন নারী প্রতিনিধি থাকা কেবল প্রতীকী বিষয় নয়। এটি নদীভাঙন, দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও অবকাঠামোগত ঘাটতির মতো দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো জাতীয় অগ্রাধিকারে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হতে পারে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী ও প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এই জেলার জন্য কার্যকর কণ্ঠস্বর প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।

দলীয় সূত্র বলছে, সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নে সাংগঠনিক দক্ষতা, আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, জনগ্রহণযোগ্যতা এবং এলাকার উন্নয়নে কাজের সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় পর্যায়ে প্রার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত করার আগে জেলা ও তৃণমূলের মতামতও বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে।

তবে এখনো কোনো কেন্দ্রীয় দল থেকে কুড়িগ্রামের জন্য আনুষ্ঠানিক মনোনয়ন ঘোষণা করা হয়নি। ফলে স্থানীয় নেত্রী ও সমর্থকেরা অপেক্ষায় রয়েছেন কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দিকে। রাজনৈতিক মহলে জল্পনা-কল্পনা থাকলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত অনিশ্চয়তা কাটছে না।

কুড়িগ্রামবাসীর প্রত্যাশা, এবার অন্তত সংরক্ষিত নারী আসনের মাধ্যমে জেলার জন্য একটি কার্যকর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে। তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত যে হিসাব-নিকাশ চলছে, তার ফলাফলই নির্ধারণ করবে কে পাচ্ছেন জাতীয় সংসদে কুড়িগ্রামের নারী প্রতিনিধিত্বের সুযোগ।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার

কমেন্ট বক্স
স্বামীর কবরের পাশেই শায়িত হতে পারেন খালেদা জিয়া

স্বামীর কবরের পাশেই শায়িত হতে পারেন খালেদা জিয়া