দুর্গাপুর ভোটকেন্দ্রে সংঘর্ষ, বিএনপির দুই নারীকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

দুর্গাপুর ভোটকেন্দ্রে সংঘর্ষ, বিএনপির দুই নারীকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Feb 12, 2026 ইং
দুর্গাপুর ভোটকেন্দ্রে সংঘর্ষ, বিএনপির দুই নারীকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে ছবির ক্যাপশন:

রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের দুর্গাপুরে ভোটকেন্দ্রের বাইরে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে ইসমাইল স্বর্ণকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরের এই ঘটনার পর পুলিশের অভিযান চলেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিএনপির সমর্থকরা ধানের শীষের সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে বাধা প্রদান করেন। এ ঘটনায় জামায়াত কর্মী মিঠুন বলেন, “দাঁড়িপাল্লার ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদ করার কারণে বিএনপির একজন নারী কর্মী ইট দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করেছে।”

পুলিশ এই ঘটনায় অভিযুক্ত দুই নারীকে আটক করেছে। তারা হলেন শালঘরিয়া গ্রামের মাছুফা বেগম (৪৫) এবং খুশি খাতুন (২৫)। দুর্গাপুর থানার কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, “ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেনাবাহিনী ও বিজিবির সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুই নারীকে থানায় নেওয়া হয়েছে।”

এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ নুরুজ্জামান লিটন অভিযোগ করেছেন, “সকাল থেকেই দেখছি বিএনপির কর্মীরা আমাদের ভোটারদের কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দিচ্ছে এবং মারধর করছে। ভোটকেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা হয়েছে।”

অপরদিকে স্থানীয় বিএনপি নেতা ও ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা হেলাল উদ্দিন বলেন, “সকাল থেকেই ভোট সুষ্ঠুভাবে চলছিল। কিন্তু জামায়াত নেতা লিটন কেন্দ্রের কাছে আসার পর থেকে ভোটকেন্দ্রে টাকা দিয়ে ভোট দেওয়া ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। আমরা এ নিয়ে দুই নারী কর্মীকে থানায় স্বেচ্ছায় নিয়ে গিয়েছি।”

জানা গেছে, বিএনপি সমর্থকরা অভিযোগ করেছেন, জামায়াতের নেতাকর্মীরা ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটকেন্দ্রে আনার চেষ্টা করছেন। এর প্রতিবাদে কেন্দ্রে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। তবে সেনা ও বিজিবির দ্রুত হস্তক্ষেপের ফলে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে।

এই ঘটনায় ভোটকেন্দ্রে সাময়িকভাবে উত্তেজনা তৈরি হলেও ভোটগ্রহণ পুনরায় স্বাভাবিকভাবে চালু হয়। জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানানো হয়েছে, ভোটাররা নিরাপদে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছেন এবং প্রশাসন ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে।

রাজশাহী-৫ আসনে ভোটকেন্দ্রে সংঘর্ষ ও হামলার এই ঘটনা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় উত্তেজনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি ভোটারদের নিরাপদে ভোট দেওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়ায় গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
শেরপুরের ঘটনার দায় বিএনপি ও সরকারকেই নিতে হবে: হাসনাত

শেরপুরের ঘটনার দায় বিএনপি ও সরকারকেই নিতে হবে: হাসনাত