ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের আগে উপদেষ্টাদের লাল পাসপোর্ট সমর্পণ The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের আগে উপদেষ্টাদের লাল পাসপোর্ট সমর্পণ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Feb 7, 2026 ইং
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের আগে উপদেষ্টাদের লাল পাসপোর্ট সমর্পণ ছবির ক্যাপশন:

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন নিকটে আসায় এবং অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষের পথে, সরকারের একাধিক উপদেষ্টা তাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট ছেড়ে সাধারণ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেছেন। নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, চলতি বছরের শুরুতেই অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের একাধিক সদস্য পাসপোর্ট সমর্পণ ও সাধারণ পাসপোর্টের আবেদন করেছেন, এবং অনেকেই পাসপোর্ট হাতে পেয়েছেন। কিছু উপদেষ্টার আবেদনও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

এদের মধ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জে. (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও তার স্ত্রী অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা অন্যতম।

প্রথম আবেদন করেছিলেন আদিলুর রহমান খান। ২৫ জানুয়ারি তিনি কূটনৈতিক পাসপোর্ট সমর্পণের চিঠি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠান এবং একই দিন সচিবালয়ের পাসপোর্ট অফিসে সাধারণ পাসপোর্টের আবেদন জমা দেন। এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাসপোর্ট অধিদপ্তরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলে। ওই দিনই তিনি নতুন পাসপোর্ট হাতে পান।

পাসপোর্ট অধিদপ্তর জানায়, লাল রঙের কূটনৈতিক পাসপোর্ট প্রদানের বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে আসে। পাসপোর্ট ইস্যু ও বাতিলের প্রক্রিয়াও মূলত সেখানে নিয়ন্ত্রিত হয়।

সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের পরে সাবেক মন্ত্রী, এমপি ও সচিবদের হাতে থাকা লাল পাসপোর্ট রূপান্তরে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। প্রক্রিয়ায় পুলিশ ভেরিফিকেশন ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার ছাড়পত্র বাধ্যতামূলক। ২১ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পূর্ববর্তী সরকারের পাসপোর্টধারী ব্যক্তিরা নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসারে সাধারণ পাসপোর্ট নিতে পারবেন, এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিধিবিধানের আলোকে সমর্পণপূর্বক পাসপোর্ট ইস্যু করা যাবে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
এক অভিযোগে কেউ গুম এক মাস, কেউ সাত বছর—উদ্দেশ্য ছিল দমন

এক অভিযোগে কেউ গুম এক মাস, কেউ সাত বছর—উদ্দেশ্য ছিল দমন