কুড়িগ্রামে জেলা খাদ্য গুদামে অভিযান চালিয়ে ধান ও চালের মজুদে বড় ধরনের গরমিলের তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দিনভর অভিযানে খাদ্য গুদামের আটটি গোডাউন পরিদর্শন করে ৫২১ মেট্রিক টন ধান এবং ৩৫ মেট্রিক টন চালের ঘাটতি পাওয়া গেছে।
রোববার (১১ জানুয়ারি) জেলা শহরের নতুন রেলস্টেশন এলাকার জেলা খাদ্য গুদামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশনায় জেলা দুদকের একটি টিম এ কার্যক্রম চালায়।
দুদক সূত্র জানায়, অভিযানে কৃষকের পরিবর্তে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিম্নমানের চাল সংগ্রহ, নতুন বস্তার পরিবর্তে পুরোনো বস্তা ব্যবহার এবং সরকারি গুদামের ধান ও চাল অন্যত্র বিক্রি করে অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া কিছু চাল মানবভোগের অনুপোযোগী বলেও চিহ্নিত করা হয়েছে।
জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক সাবদারুর ইসলাম বলেন, ধান ও চালের বড় ঘাটতি পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট গোডাউনগুলো সিলগালা করা হয়েছে। ঘাটতির বিষয়ে জানতে চাইলে খাদ্য গুদামের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। এ কারণে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
তিনি আরও জানান, অভিযানে পাওয়া তথ্য ও নথিপত্র যাচাই-বাছাই করে বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। তদন্তে অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ কাজী নিয়ন্ত্রক হামিদুল হকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।