আগামী ২০ আগস্ট দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি পদে একাধিক প্রার্থী থাকায় সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর আগে ১৯৯১ সালে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর প্রথমবার রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর থেকে রাষ্ট্রপতি পদে ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থীরাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে আসছেন।
এবার রাষ্ট্রপতি পদে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার জোটের বৈঠক শেষে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এ ঘোষণা দেন।
অন্যদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তবে দলটির পক্ষ থেকে এখনো প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করা হয়নি। দলের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার নাম আলোচনায় থাকলেও রাষ্ট্রপতি পদে কে প্রার্থী হবেন, সে সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নেবেন বলে জানানো হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে। ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই এবং ১৮ আগস্ট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। একাধিক বৈধ প্রার্থী থাকলে ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে ১৯৯১ সালে বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাস আওয়ামী লীগ সমর্থিত বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীকে পরাজিত করে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। এরপর সব রাষ্ট্রপতিই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
বর্তমানে বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে এবার একাধিক প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ হলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
কসমিক ডেস্ক