সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর নেতাসহ কয়েকজন কর্মী স্থানীয় জনতার হাতে আটক হয়েছেন। এই ঘটনার দুইটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
প্রথম ভিডিওতে দেখা যায়, চর বড়ধুল গ্রামে ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর ৩ নং ওয়ার্ডের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান দৌড়ে পালাচ্ছেন। একজন স্থানীয় ব্যক্তি তাকে বলছেন, “ভোট কিনে পালাচ্ছেন কেন, দাঁড়ান, দাঁড়ান।” পরে তিনি পালিয়ে যান।
দ্বিতীয় ভিডিওতে দেখা যায়, চৌবাড়ী গ্রামে রায়দৌলতপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সভাপতি নূরে আলমকে ৭১ হাজার টাকাসহ স্থানীয়রা আটক করেছেন। স্থানীয়রা তাকে অভিযোগ করেছেন যে, ভোট কেনার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লা আল মামুন ঘটনাস্থলে পৌঁছে জানান, ভোট কেনার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। উভয়পক্ষকে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটিতে চিঠি দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি নাঈম হোসেন দাবি করেন, চর বড়ধুল গ্রামে তাদের কর্মীর ওপর মিথ্যা অভিযোগ তৈরি করে ধাওয়া করা হয়। অপর ঘটনায় তিনি জানান, প্রতিপক্ষ তাদের এজেন্টদের বাড়ি-ঘর ভাঙচুর করেছে এবং কেন্দ্রগুলোতে বাধা দিয়েছে।
রায়দৌলতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান মধু জানান, জামায়াত নেতাদের মারধর বা হয়রানি করা হয়নি। স্থানীয়রা ভোট কেনার সময় একজনের পকেটে হাত দিয়ে টাকা বের করেছেন।
কসমিক ডেস্ক