‘পরকীয়ায়’ ধরা পড়ে বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে মুক্তি বিএনপি নেতার The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

‘পরকীয়ায়’ ধরা পড়ে বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে মুক্তি বিএনপি নেতার

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jun 9, 2026 ইং
‘পরকীয়ায়’ ধরা পড়ে বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে মুক্তি বিএনপি নেতার ছবির ক্যাপশন: ‘পরকীয়ায়’ ধরা পড়ে বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে মুক্তি বিএনপি নেতার

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় পরকীয়া অভিযোগকে কেন্দ্র করে এক বিএনপি নেতাকে স্থানীয়রা আটক করার ঘটনা ঘটেছে। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যস্থতায় ৫ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিষয়টির মীমাংসা হয়।

ঘটনাটি ঘটে সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সোনালিয়া গ্রামে। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে সফিক সিকদার নামে এক ব্যক্তিকে একটি নারীর বাড়ি থেকে আটক করা হয়। পরে তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা এবং বাঁশতৈল ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বলে জানা যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্থানীয় নেতা সফিক সিকদার একই ওয়ার্ডের কটামারা গ্রামের রহমান সিকদারের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে দুই সন্তানের জননী এক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন বলে দাবি স্থানীয়দের।

ঘটনার রাতে ওই নারীর বাড়িতে সফিক সিকদার গেলে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পান এবং বাড়িটি ঘেরাও করেন। পরে তাকে আটক করে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। এ সময় বাঁশতৈল ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।

ঘটনার সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতারাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুল মান্নান, উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা আলাউদ্দিন আল আজাদ এবং স্থানীয় যুবদল ও বিএনপির কয়েকজন নেতা।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ আলোচনার পর উভয় পক্ষের সম্মতিতে ৫ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের পর সফিক সিকদারকে আর আটক না করে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে নিষ্পত্তি করা হয়।

বাঁশতৈল ফাঁড়ির উপপরিদর্শক আতাউর রহমান জানান, “স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। পরে রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতিতে মীমাংসার প্রক্রিয়া শুরু হলে আমরা চলে আসি।”

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান বলেন, দুপক্ষের সম্মতিতে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে এবং তাদের নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয়দের একাংশ মনে করছেন, সামাজিক চাপ ও স্থানীয় মধ্যস্থতায় বিষয়টির দ্রুত সমাধান হয়েছে। তবে এ ধরনের ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে স্থানীয়ভাবে সমাধান নিয়ে প্রশ্নও উঠছে।

আইনশৃঙ্খলা বিশ্লেষকদের মতে, এমন ঘটনাগুলোতে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে কোনো জটিলতা বা অনিয়মের সুযোগ না থাকে।

সব মিলিয়ে, মির্জাপুরের এই ঘটনা স্থানীয় রাজনীতি, সামাজিক সম্পর্ক এবং গ্রামীণ মীমাংসা প্রথার একটি আলোচিত উদাহরণ হিসেবে সামনে এসেছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
কক্সবাজারের রামুতে ফ্যামিলি কোয়ার্টারে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ

কক্সবাজারের রামুতে ফ্যামিলি কোয়ার্টারে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ