বিশ্বকাপের মাঠে নামার আগে স্পেন জাতীয় দল এখন সবচেয়ে আলোচিত একটি ইতিবাচক সমস্যায় ভুগছে—গোলরক্ষক নির্বাচন। তিনজন উচ্চমানের গোলকিপারের উপস্থিতিতে কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের সামনে তৈরি হয়েছে কঠিন সিদ্ধান্তের চ্যালেঞ্জ।
বর্তমানে স্পেন দলে সবচেয়ে অভিজ্ঞ ও নির্ভরযোগ্য নাম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন উনাই সিমন। ইউরো ২০২৪ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই গোলরক্ষক দীর্ঘদিন ধরে স্পেনের প্রথম পছন্দ হিসেবে খেলছেন এবং বড় ম্যাচে তার অভিজ্ঞতা দলকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দেয়।
অন্যদিকে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ধারাবাহিকভাবে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে চলেছেন ডেভিড রায়া। আর্সেনালের হয়ে সাম্প্রতিক মৌসুমগুলোতে তিনি শুধু লিগ শিরোপা জয়ে নয়, চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল পর্যন্ত দলকে পৌঁছাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ফলে তাকে উপেক্ষা করা কোচের জন্য সহজ নয়।
এই দুই অভিজ্ঞ গোলকিপারের পাশাপাশি দলে নতুন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন তরুণ হোয়ান গার্সিয়া। বার্সেলোনার হয়ে গত মৌসুমে তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স তাকে ভবিষ্যতের তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। যদিও বিশ্বকাপের প্রথম একাদশে তার সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম, তবে দলে প্রতিযোগিতা বাড়াতে তিনি বড় ভূমিকা রাখছেন।
ডেভিড রায়া নিজেও এই প্রতিযোগিতাকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। তার মতে, দলে প্রতিটি খেলোয়াড় একে অপরকে আরও উন্নত করতে সহায়তা করে, এবং যে-ই সুযোগ পাক না কেন, সে সর্বোচ্চ দেওয়ার চেষ্টা করবে।
এমন পরিস্থিতিতে কোচ দে লা ফুয়েন্তের সামনে তৈরি হয়েছে একটি ‘মধুর সমস্যা’। তিনজনই ফিট এবং ফর্মে থাকায় চূড়ান্ত একাদশ নির্বাচন করা সহজ হবে না। বিশেষ করে বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এই সিদ্ধান্ত দলীয় ভারসাম্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ধারণা করা হচ্ছে, কেপ ভার্দের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে উনাই সিমনকেই প্রথম পছন্দ হিসেবে দেখা যেতে পারে। তবে বেঞ্চে রায়া ও গার্সিয়ার মতো শক্তিশালী বিকল্প থাকায় স্পেনের গোলরক্ষক বিভাগ এখন ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী ইউনিট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
কসমিক ডেস্ক