রাজশাহীর পদ্মা নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ বাবা মো. আফছার আলী ও তার ছেলে মো. জিয়ারুল হকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে চারঘাট উপজেলার পদ্মা নদী থেকে আফছার আলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে একই দিন দুপুরে রাজশাহীর শ্যামপুর এলাকার পদ্মা নদী থেকে ছেলে জিয়ারুল হকের মরদেহ উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ।
এর আগে গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে রাজশাহীর চর মাজারদিয়া এলাকা থেকে ঝাউগাছ বোঝাই করে আট যাত্রী নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা লালন শাহ মুক্তমঞ্চের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথিমধ্যে পদ্মা নদীর মাঝপথে অতিরিক্ত ঢেউয়ের কবলে পড়ে নৌকাটি ডুবে যায়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন, ফায়ার সার্ভিস ও উদ্ধারকারী সদস্যদের যৌথ অভিযানে নৌকায় থাকা ছয়জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তবে নৌকার মাঝি মো. আফছার আলী এবং তার ছেলে মো. জিয়ারুল হক নিখোঁজ হন। এরপর থেকেই তাদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছিল।
রাজশাহী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক জানান, বৃহস্পতিবার সকালে চারঘাট উপজেলার পদ্মা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় আফছার আলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে দুপুরে রাজশাহীর শ্যামপুর এলাকায় পদ্মা নদী থেকে তার ছেলে জিয়ারুল হকের মরদেহ উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ।
তিনি আরও জানান, উদ্ধার হওয়া মরদেহ দুটি প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, অতিরিক্ত ঢেউ এবং নৌকার ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নদীপথে চলাচলের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
কসমিক ডেস্ক