ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী ১৯ আগস্ট শুরু হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি ন্যাশনাল মডেল ইউনাইটেড নেশন্স’ বা ডানমুন ২০২৬। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মডেল ইউনাইটেড ন্যাশনন্স অ্যাসোসিয়েশন (ডুমুনা) আয়োজিত চার দিনব্যাপী এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এবারের ১৩তম ডানমুন আসরে দেশ-বিদেশের পাঁচ শতাধিক তরুণ কূটনীতিক অংশগ্রহণ করবেন। সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য বজায় রেখে কার্যকর বহুপাক্ষিকতা সুসংহত করা’। অর্থাৎ পরিবর্তিত বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বিভাজন দূরে রেখে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও কার্যকর কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।
ডানমুন ২০২৬-এ মোট ১২টি কমিটি থাকবে। এবারের আয়োজনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য সংযোজন ‘ক্যাবিনেট বনাম শ্যাডো ক্যাবিনেট অব জাতীয় সংসদ’। আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী, বাংলাদেশের কোনো ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলনে প্রথমবারের মতো এই ধরনের কমিটি যুক্ত হয়েছে।
এ ছাড়া ‘ফার্স্ট এক্সট্রাঅর্ডিনারি সামিট অন পেট্রোলিয়াম’ এবং নতুন ফরম্যাটের ‘দ্য ঢাকা ডায়ালগ’ কমিটিও এবারের সম্মেলনে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় শ্যাডো ক্যাবিনেট সিমুলেশনের মাধ্যমে সরকার ও বিরোধীদের মধ্যকার গণতান্ত্রিক সম্পর্ক ও রাজনৈতিক গতিশীলতা পর্যালোচনার সুযোগ তৈরি হবে বলে জানিয়েছে সেক্রেটারিয়েট বোর্ড।
ডুমুনা নেতৃত্ব জানিয়েছে, ডানমুন ২০২৬ বিভিন্ন মত, দেশ ও সামাজিক পটভূমি থেকে আসা প্রতিনিধিদের সংলাপের একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। বৈশ্বিক নানা বিভাজনের মধ্যেও কূটনীতি, আলোচনা ও পারস্পরিক সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে—এই বার্তাই সম্মেলনের মাধ্যমে তুলে ধরতে চান আয়োজকরা।
কসমিক ডেস্ক