বিকল্প প্রার্থী ঘোষিত সংসদীয় আসনগুলোতে চূড়ান্ত মনোনয়ন ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলীয় সূত্র জানায়, মনোনয়ন ঘোষণার সময় সারাদেশে মোট সাতটি আসনে বিকল্প প্রার্থী দেওয়া হয়েছিল। এসব আসনের মধ্যে কয়েকটিতে আগেই ঘোষিত প্রার্থীকেই বহাল রাখা হয়েছে, আবার কয়েকটিতে পরিবর্তন এনে নতুন প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে।
সিলেট-৬ সংসদীয় আসনে প্রথমে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে জেলা বিএনপির সদস্য ফয়সল আহমদ চৌধুরীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে দল আগের প্রার্থী অ্যাডভোকেট এমরান আহমেদ চৌধুরীকেই প্রার্থী হিসেবে বহাল রেখেছে।
সুনামগঞ্জ-২ আসনেও একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। এই আসনে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছিলেন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা তাহির রায়হান চৌধুরী পাভেল। তবে চূড়ান্ত তালিকায় আগেই ঘোষিত নাছির হোসেন চৌধুরীকেই দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে শুরুতে বিকল্প প্রার্থী ছিলেন কবির আহমেদ ভূঁইয়া। কিন্তু চূড়ান্ত মনোনয়নে সাবেক সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানকে প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করেছে বিএনপি।
চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে মনোনয়ন নিয়ে কিছুটা জটিলতা দেখা দেয়। প্রথম দফায় দল মনোনয়ন দেয় গিয়াস কাদের চৌধুরীকে। পরে একই আসনে সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম আকবর খোন্দকারকেও মনোনয়ন দেওয়া হয়। তবে সবশেষ সিদ্ধান্তে গিয়াস কাদের চৌধুরীকেই চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
যশোর-৪ আসনে পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল। এখানে পূর্বনির্ধারিত প্রার্থী টি এস আইয়ুব ঋণখেলাপির দায়ে মনোনয়নপত্র বাতিল হলে বিকল্প প্রার্থী মতিয়ার রহমান ফারাজীকেই দলীয় প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত ঘোষণা করা হয়।
এ ছাড়া সুনামগঞ্জ-১ সংসদীয় আসনে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাওয়া তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুলকেই চূড়ান্ত প্রার্থী করেছে বিএনপি। এই আসনে আগে আনিসুল হককে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল।
দলীয় সূত্র জানায়, প্রার্থীদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক গ্রহণযোগ্যতা এবং নির্বাচনী বাস্তবতা বিবেচনা করেই এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চূড়ান্ত মনোনয়ন ঘোষণার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে বিএনপির নির্বাচনী প্রস্তুতি আরও জোরদার হলো বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
কসমিক ডেস্ক