কমিশন বাড়ানোর দাবি সিএনজি স্টেশন মালিকদের, না মানলে ১ জুলাই থেকে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

কমিশন বাড়ানোর দাবি সিএনজি স্টেশন মালিকদের, না মানলে ১ জুলাই থেকে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jun 6, 2026 ইং
কমিশন বাড়ানোর দাবি সিএনজি স্টেশন মালিকদের, না মানলে ১ জুলাই থেকে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি ছবির ক্যাপশন: কমিশন বাড়ানোর দাবি সিএনজি স্টেশন মালিকদের, না মানলে ১ জুলাই থেকে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি

দেশের সিএনজি ফিলিং স্টেশন মালিকরা তাদের কমিশন বৃদ্ধি এবং স্বয়ংক্রিয় সমন্বয় ব্যবস্থার দাবিতে নতুন করে সরব হয়েছেন। বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, বর্তমান কমিশন কাঠামো দিয়ে স্টেশন পরিচালনা করা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে। এ কারণে প্রতি ঘনমিটার গ্যাস বিক্রিতে কমিশন ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে।

শনিবার রাজধানীর বিজয়নগরের আকরাম টাওয়ারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা বলেন, আগামী ৩০ জুনের মধ্যে তাদের দাবি বাস্তবায়ন না হলে ১ জুলাই থেকে দেশব্যাপী কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০১৫ সালের পর থেকে সরকার কয়েক দফা বিদ্যুতের দাম বাড়ালেও সিএনজি স্টেশন মালিকদের কমিশন সেই অনুযায়ী সমন্বয় করা হয়নি। ফলে পরিচালন ব্যয় ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু সরকার নির্ধারিত বিক্রয়মূল্য অপরিবর্তিত থাকায় সেই অতিরিক্ত ব্যয় গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়নি।

নেতারা জানান, বিদ্যুৎ খরচ বৃদ্ধির কারণে বর্তমান কমিশনের সঙ্গে অতিরিক্ত ২ টাকা ৪৬ পয়সা যুক্ত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি, শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার বৃদ্ধি এবং যন্ত্রাংশ ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ের ঊর্ধ্বগতির কারণে আরও ৩ টাকা ৫০ পয়সা সমন্বয়ের প্রয়োজন রয়েছে। সব মিলিয়ে কমিশন ৫ টাকা ৯৬ পয়সা বাড়িয়ে ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা করার দাবি জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে মালিকরা অভিযোগ করেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের ইজারা ফি, লাইসেন্স নবায়ন ব্যয়, ব্যাংক গ্যারান্টির কমিশন, ঋণের সুদ, কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং বিভিন্ন পরিচালন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে অনেক সিএনজি স্টেশন লোকসানের মুখে পড়েছে এবং কিছু স্টেশন বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

তারা আরও বলেন, অতীতে বিভিন্ন সরকারি কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কমিশন বৃদ্ধির যৌক্তিকতা স্বীকার করে সুপারিশ করলেও সেগুলোর অধিকাংশই বাস্তবায়ন হয়নি। এমনকি সরকার পরিবর্তনের পরও জ্বালানি বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি।

সংগঠনের নেতারা আশা প্রকাশ করে বলেন, সরকার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি মেনে নেবে। অন্যথায় সিএনজি খাতের অস্তিত্ব ও ব্যবসায়িক স্বার্থ রক্ষায় আন্দোলনের পথে যেতে বাধ্য হবেন তারা।

তাদের মতে, পরিবেশবান্ধব জ্বালানি হিসেবে সিএনজি দেশের বায়ুদূষণ কমাতে, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং গণপরিবহন ব্যবস্থাকে তুলনামূলক সাশ্রয়ী রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তাই এই খাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য কমিশন কাঠামো পুনর্বিবেচনা করা জরুরি।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
ভোটের প্রাক্কালে শান্ত শৈলকুপা, স্বস্তিতে ভোটাররা

ভোটের প্রাক্কালে শান্ত শৈলকুপা, স্বস্তিতে ভোটাররা