পল্লবী শিশু হত্যা মামলায় দ্রুত সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, বুধবার আত্মপক্ষ সমর্থন The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

পল্লবী শিশু হত্যা মামলায় দ্রুত সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, বুধবার আত্মপক্ষ সমর্থন

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jun 2, 2026 ইং
পল্লবী শিশু হত্যা মামলায় দ্রুত সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, বুধবার আত্মপক্ষ সমর্থন ছবির ক্যাপশন:

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার আলোচিত মামলায় বিচারিক কার্যক্রমে দ্রুত অগ্রগতি হয়েছে। মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের প্রথম দিনেই মোট ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন, যার মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব কার্যত শেষ হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এই সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন করেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আগামী বুধবার আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আজিজুর রহমান দুলু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এই দ্রুত অগ্রগতি বিচার প্রক্রিয়াকে নতুন পর্যায়ে নিয়ে গেছে। মাত্র একদিনেই প্রায় সব সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হওয়ায় আদালতে পরবর্তী ধাপ হিসেবে আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্কের দিকে এগোচ্ছে মামলাটি।

এই মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন নিহত শিশুর পরিবারের সদস্য, প্রতিবেশী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং চিকিৎসকসহ মোট ১৬ জন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী। সাক্ষীদের মধ্যে ছিলেন শিশুটির বাবা ও মামলার বাদী আব্দুল হান্নান মোল্লা, মা পারভীন আক্তার, বড় বোন রাইসা আক্তার, ফুপু মাহমুদা আক্তার এবং চাচা মিজানুর রহমান লিটন।

এছাড়া একই ভবনের বিভিন্ন তলার বাসিন্দারা সাক্ষ্য দেন, যাদের মধ্যে ছিলেন মনির হোসেন, জাকিরুল ইসলাম রাজু এবং শেখ আবু সামা। মামলার তদন্ত ও প্রাথমিক পর্যায়ের তথ্য উপস্থাপনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সদস্যও আদালতে সাক্ষ্য দেন। এর মধ্যে ছিলেন কনস্টেবল রোমা আক্তার, কনস্টেবল শরীফ মিয়া, এসআই ইকবাল হোসেন, এসআই রাশেদুল ইসলাম এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই অহিদুজ্জামান।

চিকিৎসা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দেন চিকিৎসক নাসাদ জাবিন। পাশাপাশি ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদও আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন, যা মামলার প্রমাণ উপস্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের গুরুতর ফৌজদারি মামলায় দ্রুত সাক্ষ্যগ্রহণ বিচার প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এতে প্রমাণ উপস্থাপন ও তথ্য যাচাই সহজ হয় এবং বিচার কার্যক্রম দ্রুত অগ্রসর হতে পারে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এখন আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের পর্যায় শুরু হবে। বুধবার নির্ধারিত এই শুনানিতে আসামিরা নিজেদের পক্ষে বক্তব্য ও যুক্তি উপস্থাপন করবেন। এরপর আদালত মামলার পরবর্তী ধাপ, অর্থাৎ যুক্তিতর্ক ও রায়ের দিকে অগ্রসর হবে।

এই মামলাটি জনমনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে শিশু নির্যাতন ও হত্যার মতো সংবেদনশীল অপরাধের ক্ষেত্রে দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া জনসাধারণের মধ্যে বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থা বাড়াতে ভূমিকা রাখে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সর্বশেষ পরিস্থিতি অনুযায়ী, মামলাটি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে এগোচ্ছে এবং আগামী দিনগুলোতে এর ফলাফল নিয়ে নজর থাকবে আদালত ও জনমহলের।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
কিম জং উনের নির্দেশে ৫০টি নতুন রকেট লঞ্চার মোতায়েন

কিম জং উনের নির্দেশে ৫০টি নতুন রকেট লঞ্চার মোতায়েন