সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা—বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা—বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : May 2, 2026 ইং
সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা—বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় ছবির ক্যাপশন:

জরুরি মেরামত ও সংরক্ষণ কাজের জন্য আজ সিরাজগঞ্জ জেলার বেশ কিছু এলাকায় টানা ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এ তথ্য জানিয়েছে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো)

প্রতিষ্ঠানটির বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী অশীথ পোদ্দার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার (২ মে) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। অর্থাৎ, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী প্রায় ৭ ঘণ্টা এলাকাগুলো বিদ্যুৎহীন থাকবে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সিরাজগঞ্জ দপ্তরের অধীন ১১ কেভি কুইন ফিডারের জরুরি মেরামত, সংরক্ষণ কাজ এবং বিদ্যুৎ লাইনের আশেপাশের গাছের শাখা-প্রশাখা ছাঁটাই করার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ ও কার্যকর রাখতে এসব কাজ অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বলেও জানানো হয়েছে।

যেসব এলাকায় এই বিদ্যুৎ বিভ্রাট প্রভাব ফেলবে, তার মধ্যে রয়েছে কোদলাপুর, কোদলাপুর বড় ব্রিজ রোড, কল্যাণী চুয়াপাড়া, কল্যাণী প্রাইমারি স্কুল রোড, সিরাজগঞ্জ পুলিশ লাইনস, আনসার ক্যাম্প এবং কোদলাপুর কবরস্থান রোডসহ আশপাশের বিতরণ এলাকা।

এই সময়ের মধ্যে এলাকাবাসীকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে যাদের দৈনন্দিন কাজ বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল—যেমন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ছোট শিল্পকারখানা কিংবা বাসাবাড়ির গুরুত্বপূর্ণ কাজ—তাদের আগাম পরিকল্পনা করে নেওয়া জরুরি।

নেসকোর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ লাইনের রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নের স্বার্থে মাঝে মাঝে এমন সাময়িক বিদ্যুৎ বন্ধ রাখা প্রয়োজন হয়। এতে সাময়িক অসুবিধা হলেও দীর্ঘমেয়াদে গ্রাহকরা নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ বিদ্যুৎ সুবিধা পাবেন।

এদিকে, বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকার সময় মোবাইল চার্জ, পানি সংরক্ষণ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজ আগেভাগে সেরে রাখার জন্যও গ্রাহকদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। কারণ দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকলে দৈনন্দিন জীবনে কিছুটা বিঘ্ন ঘটতে পারে।

নেসকো কর্তৃপক্ষ এ সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং গ্রাহকদের সহযোগিতা কামনা করেছে। তারা আশা করছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করে পুনরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে।

সবশেষে বলা হয়েছে, এ ধরনের পরিকল্পিত রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম বিদ্যুৎ ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের ত্রুটি বা দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সহায়ক।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
তরুণ পেশাজীবীরাই টেকসই উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি : তথ্যমন্ত্র

তরুণ পেশাজীবীরাই টেকসই উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি : তথ্যমন্ত্র