পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগে ঈদের প্রধান জামাত আয়োজনের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। মুসল্লিদের নির্বিঘ্নে নামাজ আদায়ের সুযোগ নিশ্চিত করতে ঈদগাহ ও মসজিদগুলোতে নেওয়া হয়েছে বাড়তি ব্যবস্থা। একইসঙ্গে নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাঠে কাজ করছে র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাসকে গুরুত্ব দিয়ে অনেক স্থানে বিকল্প ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। চট্টগ্রামের প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদে সকাল ৭টায়। বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় পুরো ঈদগাহ ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মুসল্লিদের জন্য ফ্যান ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানিয়েছেন, এখানে প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদে বিকল্প জামাতের প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।
রাজশাহীর হযরত শাহ মখদুম রহমত উল্লাহ আলাইহের কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৭টায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বৃষ্টি হলে সকাল ৮টায় হযরত শাহ মখদুম দরগা জামে মসজিদে জামাত আয়োজন করা হবে। রাজশাহী সিটি করপোরেশন জানিয়েছে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে হাজারো মুসল্লির উপস্থিতিতে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
বরিশালে প্রায় ৩৫০টি মসজিদে ঈদের জামাত আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রধান জামাত হবে হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৮টায়। অন্যদিকে সিলেটের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে শাহী ঈদগাহ ময়দানে। সেখানে নিরাপত্তা নিশ্চিতে একাধিক প্রবেশপথে স্ক্রিনিং গেট বসানো হয়েছে। র্যাব জানিয়েছে, নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ও চিকিৎসা ব্যবস্থাও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এছাড়া খুলনায় সার্কিট হাউজ ময়দানে সকাল ৭টায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। বৃষ্টি হলে টাউন জামে মসজিদে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ময়মনসিংহের আনজুমান ঈদগাহ মাঠে সকাল সাড়ে ৭টায় এবং রংপুরের ৮০টি ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
কসমিক ডেস্ক