এই প্রেক্ষাপটে ইমরান খানের সাবেক স্ত্রী জেমিমা গোল্ডস্মিথ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এর মালিক ইলন মাস্কের কাছে প্রকাশ্যে আবেদন জানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, ইমরান খান সংক্রান্ত পোস্টগুলোতে ইচ্ছাকৃতভাবে রিচ কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ প্রকৃত তথ্য জানতে পারছে না। জেমিমা মনে করেন, এটি এক্স-এর ঘোষিত ‘ফ্রি স্পিচ’ নীতির পরিপন্থী এবং তিনি মাস্ককে সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার আহ্বান জানান।
এদিকে জাতিসংঘের একজন বিশেষ মানবাধিকার প্রতিবেদক পাকিস্তান কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করে বলেছেন, ইমরান খানের কারাবাসের শর্ত মানবিক ও আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী নয়। প্রতিবেদকে উল্লেখ করা হয়, তাঁর একাকীত্ব পরিস্থিতি কমাতে হবে এবং অবিলম্বে কারাবাসের শর্ত উন্নত করতে হবে, যাতে ন্যূনতম মানবাধিকার নিশ্চিত হয়।
অন্যদিকে পাকিস্তানের রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা আরও বেড়েছে সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্রের বক্তব্যে। তিনি ইমরান খানকে ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি’ হিসেবে উল্লেখ করেন, যা দেশজুড়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সমালোচকদের মতে, এই বক্তব্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং এটি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দমনের একটি কৌশল।
সব মিলিয়ে, কারাগারে থেকেও ইমরান খান পাকিস্তানের রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আলোচনার কেন্দ্রে অবস্থান করছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেন্সরশিপের অভিযোগ থেকে শুরু করে জাতিসংঘের সতর্কবার্তা—সবকিছু মিলিয়ে বিষয়টি এখন আর কেবল একটি দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নয়, বরং বৈশ্বিক ‘ফ্রি স্পিচ’ ও মানবাধিকারের প্রশ্নে পরিণত হয়েছে।
কসমিক ডেস্ক