পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে ভারত ও চীনের অভিনন্দন The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে ভারত ও চীনের অভিনন্দন

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Feb 18, 2026 ইং
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে ভারত ও চীনের অভিনন্দন ছবির ক্যাপশন:

বাংলাদেশের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান-কে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রিপরিষদে দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই প্রতিবেশী দুই গুরুত্বপূর্ণ দেশের পক্ষ থেকে এই শুভেচ্ছা বার্তা আসে। কূটনৈতিক মহলে এটিকে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর তার অভিনন্দন বার্তায় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিদ্যমান শক্ত ভিত্তির কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, দুই দেশের পারস্পরিক অগ্রগতি ও জনকল্যাণের লক্ষ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। বিদ্যমান সহযোগিতামূলক সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

জয়শঙ্করের বার্তায় আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বকে আরও সুসংহত করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়। বিশ্লেষকদের মতে, এ বার্তা দুই দেশের অমীমাংসিত ইস্যুগুলো নিয়ে আলোচনার নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে।

অন্যদিকে, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই তার শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, বাংলাদেশের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে তিনি আগ্রহী। দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে অতীতে হওয়া গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

ওয়াং ই আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে চীন-বাংলাদেশ সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন ও অনন্য উচ্চতায় উন্নীত হবে। বেইজিংয়ের বার্তায় দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক উন্নয়ন ইস্যুতে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি স্পষ্টভাবে উঠে আসে।

কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ায় ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। ফলে দিল্লি ও বেইজিং—উভয়ই ঢাকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতি কোন দিকে অগ্রসর হয়, তা আঞ্চলিক কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

ড. খলিলুর রহমান এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রশাসনিক ও কৌশলগত বিষয়ে তার অভিজ্ঞতা নতুন দায়িত্ব পালনে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নতুন সরকারের সূচনালগ্নে প্রতিবেশী দুই প্রভাবশালী দেশের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা বার্তা পাওয়াকে ইতিবাচক সূচনা হিসেবে দেখছে কূটনৈতিক মহল। সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশ-ভারত ও বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের গতি-প্রকৃতি কেমন হয়, সেদিকে নজর থাকবে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রামগড় স্থলবন্দর নির্মাণে নির্বিচারে পাহাড় ধ্বংসের অভিযোগ

রামগড় স্থলবন্দর নির্মাণে নির্বিচারে পাহাড় ধ্বংসের অভিযোগ