ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ইন্দোনেশিয়া, প্রাণহানি বেড়ে ৪৭ The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ইন্দোনেশিয়া, প্রাণহানি বেড়ে ৪৭

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 15, 2026 ইং
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ইন্দোনেশিয়া, প্রাণহানি বেড়ে ৪৭ ছবির ক্যাপশন:

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন। ফলে প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার প্রধান কর্মকর্তা সুহারাইয়ান্তো জানিয়েছেন, উদ্ধারকারীরা এখন পর্যন্ত ৪৭টি মরদেহ উদ্ধার করেছেন। নিহতদের বেশিরভাগই সিক্কা, মানাগ্গারাই ও পূর্ব মানাগ্গারাই এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। আহত অবস্থায় অন্তত ৫০ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভূমিকম্পের প্রভাবে বিভিন্ন এলাকায় বাড়িঘর ও অবকাঠামো ধসে পড়ে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ১৫৭টি বাড়ি সম্পূর্ণভাবে ধসে পড়েছে। আরও প্রায় ২০০টি বাড়ি ফাটলসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষতির শিকার হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির কারণে প্রায় দুই হাজার গ্রামবাসী নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।

ভূমিকম্পের পরপরই উপকূলীয় এলাকায় সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ ও উঁচু স্থানে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরে সাগরে বড় ধরনের অস্বাভাবিক ঢেউয়ের অস্তিত্ব না পাওয়ায় সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়। আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, উপকূলীয় বসতিতে ক্ষয়ক্ষতি ঘটাতে পারে এমন কোনো সুনামি ঢেউ দেখা যায়নি।

এদিকে প্রথম ভূমিকম্পের কয়েক ঘণ্টা পর শনিবার সন্ধ্যায় উত্তর সুমাত্রা প্রদেশে ৬ দশমিক ৪ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

উদ্ধারকারী দলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা ব্যক্তিদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দুর্গত এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলার এখন লামিনে ইয়ামাল, হালান্ড-এমবাপ

বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলার এখন লামিনে ইয়ামাল, হালান্ড-এমবাপ