৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া, নিহত ২০ The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া, নিহত ২০

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 15, 2026 ইং
৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া, নিহত ২০ ছবির ক্যাপশন:

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ফ্লোরেস দ্বীপের কাছে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২০ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার ভোরে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৭ মাত্রার এই ভূমিকম্পে আরও ছয়জন আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে দুজন আটকে আছেন বলে জানিয়েছেন মাউমেরে অনুসন্ধান ও উদ্ধার কর্মকর্তা ফাতুর রহমান।

ভূমিকম্পের পর হাজারো মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যান। সবচেয়ে বেশি আতঙ্ক ছড়ায় ভূমিকম্পের কেন্দ্রের কাছাকাছি নাগেকেও রিজেন্সিতে। সেখানে কয়েকজন বাসিন্দা সমুদ্রের পানি হঠাৎ সরে যেতে দেখে দ্রুত উঁচু এলাকায় আশ্রয় নেন।

সমুদ্রের পানি অস্বাভাবিকভাবে সরে যাওয়া সম্ভাব্য সুনামির লক্ষণ হওয়ায় ইন্দোনেশিয়ার কর্তৃপক্ষ সতর্কতা জারি করে। শুরুতে ৫০ সেন্টিমিটার থেকে ৩ মিটার উচ্চতার ঢেউয়ের আশঙ্কা করা হয়েছিল। পরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সুনামি সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়। তবে দুর্বল হয়ে পড়া ভবন পরবর্তী কম্পনে ধসে পড়তে পারে বলে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে ফিরে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইন্দোনেশিয়ার কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ফ্লোরেস দ্বীপের উত্তর উপকূলের কাছে। এটি উপকূলীয় শহর এন্দে থেকে প্রায় ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। ভূমিকম্পটি অগভীর হওয়ায় কাছাকাছি এলাকায় এর কম্পন বেশি অনুভূত হয়েছে।

প্রধান ভূমিকম্পের পর বেশ কয়েকটি শক্তিশালী আফটারশক অনুভূত হয়। এর মধ্যে একটি কম্পনের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ১। মাউমেরেসহ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার অভিযান চলছে। উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়া ব্যক্তিদের সন্ধান করছেন।

মাউমেরের বাসিন্দা লুকাস লোটার জানান, ভূমিকম্পের সময় হাসপাতালের রোগীদের নিরাপদে বাইরে সরিয়ে নেওয়া হয়। কয়েকটি ভবনের দেয়ালে ফাটলও দেখা গেছে। শক্তিশালী কম্পনের কারণে হাসপাতালের লোকজনও নিরাপদ স্থানে চলে যেতে বাধ্য হন।

ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত। ফলে দেশটিতে প্রায়ই শক্তিশালী ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে। ফ্লোরেস দ্বীপে ১৯৯২ সালেও ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পের পর সুনামি আঘাত হেনেছিল। ওই দুর্যোগে প্রায় ২ হাজার ৫০০ মানুষ নিহত হন।

দেশটির ইতিহাসে ২০০৪ সালের ভূমিকম্প ও সুনামিও ছিল ভয়াবহ। সুমাত্রার উপকূলের কাছে ৯ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পের পর ভারত মহাসাগরে সুনামি আঘাত হানে। এতে পুরো অঞ্চলে প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার মানুষ নিহত হন, যার মধ্যে শুধু ইন্দোনেশিয়াতেই মারা যান প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
নোয়াখালীতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে হা

নোয়াখালীতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে হা