ছাতক সিমেন্ট কারখানার উৎপাদন পুনরায় চালু হবে দ্রুত: শিল্প উপদেষ্টা The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

ছাতক সিমেন্ট কারখানার উৎপাদন পুনরায় চালু হবে দ্রুত: শিল্প উপদেষ্টা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jan 10, 2026 ইং
ছাতক সিমেন্ট কারখানার উৎপাদন পুনরায় চালু হবে দ্রুত: শিল্প উপদেষ্টা ছবির ক্যাপশন:
ad728

শিল্প এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, ছাতক সিমেন্ট কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম পুনরায় চালুর জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিদ্যমান ওয়েট প্রসেস পদ্ধতি পরিবর্তন করে ড্রাই প্রসেস চালু করা হলে দ্রুত সময়ের মধ্যেই কারখানায় উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শুক্রবার সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলায় অবস্থিত ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন শিল্প উপদেষ্টা। শিল্প মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পরিদর্শনকালে উপদেষ্টা বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান যে দিকনির্দেশনা দিয়েছে, সেই পথ অনুসরণ করেই ভবিষ্যতে নির্বাচিত সরকার দেশের শিল্প খাতের বিকাশ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নতুন শিল্পকারখানা স্থাপনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

ছাতক সিমেন্ট কারখানা পরিদর্শনের সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, শিল্পসচিব মো. ওবায়দুর রহমান, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) চেয়ারম্যান মো. ফজলুর রহমান, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী কাজী গোলাম মোস্তফা এবং ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

ছাতক সিমেন্ট কারখানার ইতিহাস দীর্ঘ ও গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্তসংলগ্ন ছাতক উপজেলায় সুরমা নদীর তীরে ১৯৩৭ সালে এই কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় এর নাম ছিল ‘আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানি’ এবং এটি ছিল ব্যক্তিমালিকানাধীন। ১৯৬৫ সালের পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধের সময় কারখানার তৎকালীন মালিক এটি ছেড়ে যান। পরবর্তী বছর ১৯৬৬ সালে কারখানাটি রাষ্ট্রীয় মালিকানায় আসে এবং ১৯৮২ সালে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন এর নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে।

জানা গেছে, ২০২০ সালে ভারত সরকার ছাতক সিমেন্ট কারখানায় চুনাপাথর সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কেএলএমসির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এর ফলে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সংকটে পড়ে কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হয়। চুনাপাথর সরবরাহ বন্ধ থাকায় ২০২১ সালের মে মাসে কারখানার উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সেই সময় থেকে পুরোনো ও নতুন—উভয় ইউনিটেই উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

তবে কারখানাটিকে আধুনিকায়নের লক্ষ্যে ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে ‘ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের উৎপাদনপদ্ধতি ওয়েট প্রসেস থেকে ড্রাই প্রসেসে রূপান্তরকরণ’ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে জ্বালানি দক্ষতা বাড়ার পাশাপাশি উৎপাদন খরচ কমবে এবং কারখানাটি আবারও পূর্ণ সক্ষমতায় চালু করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
সিটি গভর্নমেন্ট ছাড়া রাজধানী পরিচালনা অসম্ভব: আবদুস সালাম

সিটি গভর্নমেন্ট ছাড়া রাজধানী পরিচালনা অসম্ভব: আবদুস সালাম