চট্টগ্রামের পাহাড়ে অভিযান: ৪ আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২ The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

চট্টগ্রামের পাহাড়ে অভিযান: ৪ আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jul 25, 2026 ইং
চট্টগ্রামের পাহাড়ে অভিযান: ৪ আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২ ছবির ক্যাপশন:

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কেলিশহর ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারটি আগ্নেয়াস্ত্র, ১৩টি দেশীয় অস্ত্র এবং দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। অভিযানে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের উৎস, ব্যবহারকারী এবং সম্ভাব্য অস্ত্র চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান, শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত কেলিশহর ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কয়েক ধাপে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে কেলিশহর ইউনিয়নের কিল্লাপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. দেলোয়ার হোসেন (৫৪) ও মো. মহসিনকে (৩৩) গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পৃথক দুটি স্থানে অভিযান চালিয়ে দুটি একনলা বন্দুক, দুটি দেশীয় তৈরি এলজি, ছয়টি কিরিচ, পাঁচটি রামদা, একটি দামাদা, একটি লোহার কাটার যন্ত্র এবং দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, প্রথমে কিল্লাপাড়ায় দেলোয়ার হোসেনের বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে খাটের নিচ থেকে ধারালো দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এরপর একই এলাকার ছাতিভাঙ্গা আফছারের গাছবাগানে অভিযান চালিয়ে মাটির নিচে এবং ঝোপঝাড়ের আড়ালে লুকিয়ে রাখা চারটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি বা স্থানীয় সংঘাতের উদ্দেশ্যে মজুত রাখা হয়েছিল কি না, তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এছাড়া উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনের কললিস্ট ও অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণ করে অস্ত্র সরবরাহকারী ও সম্ভাব্য সহযোগীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

স্থানীয়দের দাবি, কেলিশহরের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা দীর্ঘদিন ধরে অপরাধীদের গোপন আস্তানা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিস্তীর্ণ বাগান এবং পাহাড়ি জঙ্গলের কারণে এসব এলাকায় অস্ত্র লুকিয়ে রাখা ও আত্মগোপন করা তুলনামূলক সহজ বলে অভিযোগ রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং সন্ত্রাস দমনে জেলা পুলিশের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। অস্ত্রগুলোর উৎস, ব্যবহারকারী এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে। পাশাপাশি জেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকাগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে এবং বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুই আসামির বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে অস্ত্রের উৎস, সরবরাহকারী এবং এই চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
বিপদে কেন পড়বেন দোয়া ইউনুস? ইসলাম কী বলে

বিপদে কেন পড়বেন দোয়া ইউনুস? ইসলাম কী বলে