‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jul 10, 2026 ইং
‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন ছবির ক্যাপশন:

দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ আরও শক্তিশালী করতে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নতুন এই আইনের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষের (পিপিপিএ) কার্যক্রম সমন্বিত করে একটি কেন্দ্রীয় বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলা হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১২তম বৈঠকে বৃহস্পতিবার এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উত্থাপিত প্রস্তাবের ভিত্তিতে আইনটির খসড়া অনুমোদিত হয়েছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ দেশের শীর্ষ বিনিয়োগ উন্নয়ন ও সমন্বয়কারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করবে। এর ফলে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা অনুমোদন, নিবন্ধন, আমদানি-রপ্তানি, প্রণোদনা, শিল্পাঞ্চল উন্নয়নসহ বিভিন্ন সরকারি সেবা একটি সমন্বিত ব্যবস্থার মাধ্যমে দ্রুত ও সহজে গ্রহণ করতে পারবেন।

প্রস্তাবিত আইনে সিঙ্গেল উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স, ওয়ান-স্টপ সার্ভিস, লাইসেন্স ও অনুমোদন প্রক্রিয়ার ডিজিটালাইজেশন, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অর্থনৈতিক অঞ্চল, মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল এবং ঘোষিত শিল্পাঞ্চলগুলোকে সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার সুযোগ রাখা হয়েছে।

এছাড়া ক্ষুদ্র পিপিপি প্রকল্প অনুমোদনের প্রক্রিয়া সহজ করা, অব্যবহৃত সরকারি জমি, স্থাপনা ও সম্পদ উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি এবং বিনিয়োগ-সংক্রান্ত সব ধরনের সেবা একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনার বিধানও রাখা হয়েছে। সরকারের মতে, এই আইন কার্যকর হলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বের দ্বৈততা কমবে, নীতিগত সমন্বয় বাড়বে এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আধুনিক বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা গড়ে উঠবে।

একই বৈঠকে ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬–২০৩০)’ এবং ‘আমদানি নীতি আদেশ, ২০২৬–২০২৯’-এর খসড়াও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নতুন জ্বালানি কৌশলে ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন আমদানি নীতিতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমদানি প্রক্রিয়া আরও সহজীকরণ এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগে নতুন সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ