লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ রপ্তানি খাত, আয় কমেছে আগের বছরের তুলনায়ও The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ রপ্তানি খাত, আয় কমেছে আগের বছরের তুলনায়ও

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jul 3, 2026 ইং
লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ রপ্তানি খাত, আয় কমেছে আগের বছরের তুলনায়ও ছবির ক্যাপশন:

সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি থেকে প্রত্যাশিত আয় অর্জন করতে পারেনি বাংলাদেশ। শুধু নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রাই নয়, আগের অর্থবছরের তুলনায়ও রপ্তানি আয় কমেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরজুড়ে পণ্য রপ্তানি করে দেশের আয় হয়েছে ৪ হাজার ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, এই আয় আগের অর্থবছরের তুলনায় ০.৫৮ শতাংশ কম। পাশাপাশি সরকার যে ৫ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল, তার তুলনায় প্রায় ৭০০ কোটি ডলার কম আয় হয়েছে। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ১৩ শতাংশ ঘাটতি রয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছিল ৪ হাজার ৮২৮ কোটি ৩৯ লাখ ডলার। সেই তুলনায় চলতি অর্থবছরে রপ্তানি আয় আরও কমে গেছে, যা দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের জন্য একটি উদ্বেগজনক ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে সংঘাত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এর ফলে বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী শিল্প, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাত, উল্লেখযোগ্য চাপের মুখে পড়েছে।

রপ্তানি আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতেও কমেছে আয়। ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩ হাজার ৮৭০ কোটি ১১ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরে এই খাত থেকে আয় হয়েছিল ৩ হাজার ৯৩৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ফলে পোশাক রপ্তানিতে ১.৬৪ শতাংশ নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রধান বাজার যুক্তরাষ্ট্রইউরোপীয় ইউনিয়নে চাহিদা কমে যাওয়াও রপ্তানি আয়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং ভোক্তা ব্যয় কমে যাওয়ার কারণে পোশাকের নতুন ক্রয়াদেশও প্রত্যাশার তুলনায় কম ছিল।

অর্থনীতিবিদদের মতে, দেশের মোট রপ্তানি আয়ের বড় অংশই যেহেতু তৈরি পোশাক খাতের ওপর নির্ভরশীল, তাই এই খাতে সামান্য নেতিবাচক প্রবৃদ্ধিও সামগ্রিক রপ্তানি আয়ে বড় প্রভাব ফেলে। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের পরিসংখ্যানেও সেই চিত্রই প্রতিফলিত হয়েছে।

রপ্তানি আয় বাড়াতে নতুন বাজার সম্প্রসারণ, পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ঘুড়ি উড়ানোকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০

ঘুড়ি উড়ানোকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০