যমুনার ভাঙনে বিলীন ভিটেমাটি, ফসলি জমি The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

যমুনার ভাঙনে বিলীন ভিটেমাটি, ফসলি জমি

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 8, 2026 ইং
যমুনার ভাঙনে বিলীন ভিটেমাটি, ফসলি জমি ছবির ক্যাপশন:

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলায় পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যমুনা নদীর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। উপজেলার জিয়নপুর ইউনিয়নের বড় লাউতারা ও ছনপাড়া গ্রামে গত কয়েক দিনের আকস্মিক ভাঙনে অন্তত ১৫ থেকে ১৬টি পরিবারের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে অনেক পরিবার বসতভিটা হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় ২০০ পরিবার ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ অবকাঠামো ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভাঙনের কারণে বাপ-দাদার স্মৃতিবিজড়িত ভিটেমাটি ও ফসলি জমি হারিয়েছেন অনেকে। মোকছেদ আলী ও ইসলাম উদ্দিন জানান, নদীভাঙনে তাদের সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। পরিবার নিয়ে কোথায় যাবেন, তা নিয়ে তারা উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।

নদীপারের বাসিন্দা আহাম্মদ আলী বলেন, জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানো না গেলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বড় লাউতারা ও ছনপাড়ার প্রায় ২০০ পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়তে পারে। একই সঙ্গে গ্রামের প্রধান সংযোগ সড়ক, মসজিদ, মাদরাসা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

জিয়নপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতোয়ার রহমান জানান, ভাঙনের পরিস্থিতি সম্পর্কে উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে সাময়িক প্রতিরোধ এবং পরবর্তীতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে।

এদিকে বাঘুটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এস এম আমজাদ হোসেন জানান, তার ইউনিয়নে ইতোমধ্যে তিন শতাধিক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বাজার, প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদরাসা ও মন্দিরও ঝুঁকিতে রয়েছে। যোদকাশি, মুন্সীকান্দি ও ঘোষপাড়ার বেড়িবাঁধের বেশির ভাগ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বলেও জানান তিনি।

দৌলতপুরের বাচামারা ও চরকাটারি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকাতেও ভাঙন শুরু হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিলভিয়া স্নিগ্ধা জানান, কয়েকটি ইউনিয়নে যমুনার ভাঙন চলছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
ঈদের ছুটিতে মেট্রোরেলে দিনে দেড় লাখ যাত্রীর যাতায়াত

ঈদের ছুটিতে মেট্রোরেলে দিনে দেড় লাখ যাত্রীর যাতায়াত