৮ ব্র্যান্ডের ফর্সাকারী ক্রিমে বিপজ্জনক মাত্রার মার্কারি, সতর্ক করল বিএসটিআই The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

৮ ব্র্যান্ডের ফর্সাকারী ক্রিমে বিপজ্জনক মাত্রার মার্কারি, সতর্ক করল বিএসটিআই

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 4, 2026 ইং
৮ ব্র্যান্ডের ফর্সাকারী ক্রিমে বিপজ্জনক মাত্রার মার্কারি, সতর্ক করল বিএসটিআই ছবির ক্যাপশন:

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ৮টি ব্র্যান্ডের ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমে নির্ধারিত মানের তুলনায় বিপজ্জনক মাত্রায় মার্কারি (পারদ) শনাক্ত করেছে। এ ঘটনায় জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা বিবেচনায় নিয়ে সংস্থাটি এসব পণ্য বিক্রি, বিতরণ, মজুদ ও ব্যবহার থেকে বিরত থাকার জন্য ভোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএসটিআই জানায়, বাজার থেকে সংগ্রহ করা নমুনা পরীক্ষায় পাকিস্তানের চাঁদনি হোয়াটেনিং ক্রিম-এ ১২০.৩৯ পিপিএম, নিউ ফেস বিউটি ক্রিম-এ ৪৪.৭২ পিপিএম, নাভিয়া বিউটি ক্রিম-এ ৫৯.৮২ পিপিএম এবং নাভিয়া হোয়াটেনিং ক্রিম-এ ৭৯.৭০ পিপিএম মার্কারি পাওয়া গেছে।

এছাড়া নুর হোয়াটেনিং ক্রিম-এ ৮২.৭৬ পিপিএম, ডিউ বিউটি ক্রিম-এ ১২৩.৩৭ পিপিএম, গৌরি বিউটি ক্রিম-এ ৫৬.৯৩ পিপিএম এবং চীনে উৎপাদিত ন্যাচারাল পার্ল স্কিন ক্রিম-এ ৬৭.৪৯ পিপিএম মার্কারি শনাক্ত হয়েছে।

বিএসটিআই জানিয়েছে, বাংলাদেশ মান (বিডিএস-১৩৮২) অনুযায়ী প্রসাধনীতে মার্কারির সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য মাত্রা ১ পিপিএম। কিন্তু পরীক্ষায় পাওয়া মাত্রা নির্ধারিত সীমার তুলনায় বহু গুণ বেশি, যা ব্যবহারকারীদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া অনেক ত্বক ফর্সাকারী ক্রিম বৈধ আমদানি প্রক্রিয়ার বাইরে লাগেজ বা চোরাই পথে প্রবেশ করছে। ফলে এসব পণ্যের গুণগত মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না।

বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না। ক্ষতিকর উপাদানযুক্ত প্রসাধনী উৎপাদন, আমদানি বা বাজারজাতকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে বাজার তদারকি, নমুনা পরীক্ষা, সার্ভিল্যান্স এবং মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন মার্কারিযুক্ত ত্বকের ক্রিম ব্যবহার করলে ত্বক পাতলা হয়ে যাওয়া, স্থায়ী দাগ, অ্যালার্জি, কিডনির ক্ষতি, স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতা এবং গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে অনাগত শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হওয়ার মতো গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিতে পারে। তাই প্রসাধনী কেনার আগে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ও পণ্যের বৈধতা যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
‘আমি মরলে তোমরাও মরবে’

‘আমি মরলে তোমরাও মরবে’