নিকাব নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে জবিতে মানববন্ধন The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

নিকাব নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে জবিতে মানববন্ধন

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jan 13, 2026 ইং
নিকাব নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে জবিতে মানববন্ধন ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিকাব নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ইসলামী ছাত্রী সংস্থা। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য চত্বরে সংগঠনটির নেত্রী ও সমর্থকদের অংশগ্রহণে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক এবং জবি শাখা ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সভানেত্রী মোছা. সুখীমন খাতুন। তিনি বলেন, হিজাব মুসলিম নারীদের জন্য স্বীকৃত ইসলামী পোশাক—এ বিষয়ে কোনো দ্বিমত নেই। তবে নিকাব মুসলিমদের পোশাক নয়—এ ধরনের মন্তব্য বিভ্রান্তিকর এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে।

তিনি আরও বলেন, কোরআন ও হাদিসের আলোকে কেউ যদি পরিপূর্ণ পর্দা পালনের অংশ হিসেবে মুখমণ্ডল ঢেকে রাখতে চান, সেটি তার ধর্মীয় অধিকার। মানুষের সৌন্দর্যের প্রধান প্রকাশ ঘটে মুখমণ্ডলের মাধ্যমেই—এ কারণেই অনেক মুসলিম নারী নিকাব ব্যবহার করে থাকেন।

সুখীমন খাতুন বলেন, কেউ যদি তার ধর্মীয় বিশ্বাস ও ইসলামী সংস্কৃতি অনুসরণ করে পরিপূর্ণ পর্দা পালন করতে চান, তাহলে সেখানে বাধা দেওয়ার অধিকার কারো নেই। এটি ব্যক্তিগত ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয় এবং সংবিধানসম্মত অধিকার।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। এখানে বহু মানুষ ধর্মীয় অনুশাসন অনুযায়ী নিকাব ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু বারবার এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে কুরুচিপূর্ণ ও অবমাননাকর মন্তব্য করা হচ্ছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

মানববন্ধনের উদ্দেশ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, সম্প্রীতির বাংলাদেশে প্রত্যেক নাগরিক যেন নিজ নিজ ধর্ম ও সংস্কৃতি স্বাধীনভাবে পালন করতে পারে—এই মানববন্ধনের মাধ্যমে সেই আহ্বান জানানো হয়েছে। ইসলামী সংস্কৃতি অনুযায়ী হিজাব ও নিকাব পালনের বিষয়ে যেন কোনো কটূক্তি বা অবমাননাকর মন্তব্য না করা হয় এবং এ বিষয়ে সামাজিক সহমর্মিতা বজায় থাকে—এমন প্রত্যাশাও জানান তিনি।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ইতিহাসের নীরব সাক্ষী: মানবিক ফাতেমা

ইতিহাসের নীরব সাক্ষী: মানবিক ফাতেমা