সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে চলা প্রশাসনিক অব্যবস্থা, শিক্ষাবিষয়ক সংকট এবং একাডেমিক নীতিনির্ধারণে অস্বচ্ছতার অভিযোগ নতুন করে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি করেছে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষক—সব পক্ষের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান পরিবেশ নিয়ে হতাশা দেখা যাচ্ছে।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করছেন, বিভিন্ন বিভাগে ক্লাস ঠিকমতো না হওয়া, সেশনজট, পরীক্ষার সময়সূচির অনিয়ম, ল্যাব সরঞ্জামের অভাবসহ একাধিক সমস্যা দীর্ঘদিন ধরেই চলমান। এছাড়া শিক্ষকদের স্বল্পতা, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব এবং একাডেমিক ক্যালেন্ডার বাস্তবায়নে ব্যর্থতাও শিক্ষার্থীদের ক্ষুব্ধ করেছে।
অভিভাবকরাও বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক দক্ষতা ও মনিটরিংয়ের ঘাটতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। সময়মতো ফলাফল না পাওয়া, টিউশন ফি–সংক্রান্ত অনিয়ম এবং শিক্ষাসেবার মান কমে যাওয়ায় তারা নেতৃত্বহীনতার কথা উল্লেখ করছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দাবি করেছে, সমস্যাগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধান করা হচ্ছে এবং ইতোমধ্যে কয়েকটি বিভাগে নতুন শিক্ষক নিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও ক্লাস মনিটরিং সিস্টেম শক্তিশালী করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীরা বলছেন, বাস্তবে এসবের কার্যকর প্রয়োগ এখনও চোখে পড়ছে না।
উচ্চশিক্ষা গবেষকরা মনে করছেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ব্যবস্থাপনা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত না করলে শিক্ষার্থীদের আস্থা এবং শিক্ষার মান—দুটিই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
কসমিক ডেস্ক