নির্বাচনে প্রার্থীদের ঋণের পরিমাণ সর্বোচ্চ, শীর্ষে বিএনপি The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

নির্বাচনে প্রার্থীদের ঋণের পরিমাণ সর্বোচ্চ, শীর্ষে বিএনপি

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jan 22, 2026 ইং
নির্বাচনে প্রার্থীদের ঋণের পরিমাণ সর্বোচ্চ, শীর্ষে বিএনপি ছবির ক্যাপশন:
ad728

বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের মধ্যে ঋণগ্রস্ত ও কোটিপতি প্রার্থীর সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ করে এই তথ্য তুলে ধরেছে।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ‘হলফনামায় প্রার্থী পরিচিতি ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে সংস্থাটি। প্রতিবেদনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের সম্পদ, আয় ও ঋণের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়।

টিআইবির তথ্য অনুযায়ী, বিএনপির মোট প্রার্থীদের মধ্যে ৫৯ দশমিক ৪১ শতাংশ প্রার্থী ঋণগ্রস্ত। যদিও আগের নির্বাচনের তুলনায় ঋণগ্রস্ত প্রার্থীর শতকরা হার কিছুটা কমেছে, তবে মোট ঋণের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। চলতি নির্বাচনে সব প্রার্থীর ঘোষিত মোট ঋণের পরিমাণ প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি, যা ২০২৪ সালের নির্বাচনের সময় ছিল প্রায় ১৭ হাজার ৪৯৬ কোটি টাকা। ২০০৮ সাল থেকে অনুষ্ঠিত আগের চারটি জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় এবারের নির্বাচনে প্রার্থীদের মোট ঋণের পরিমাণ সর্বোচ্চ বলে উল্লেখ করেছে টিআইবি।

ঋণের পরিমাণ বিবেচনায় শীর্ষ ১০ প্রার্থীর তালিকায় বিএনপির আধিপত্য স্পষ্ট। এই তালিকার আটজনই বিএনপির প্রার্থী, বাকি দুজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। তালিকায় সর্বোচ্চ ঋণগ্রস্ত হিসেবে উঠে এসেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী, যার ঘোষিত ঋণের পরিমাণ ৩ হাজার ১৫৫ কোটি টাকার বেশি। তার পরের চারজন প্রার্থীই বিএনপির, যাদের প্রত্যেকের ঋণ হাজার কোটি টাকার বেশি।

শুধু ঋণ নয়, সম্পদের দিক থেকেও বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। টিআইবির বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সম্পদের বিবেচনায় বিএনপির ৭১ দশমিক ৮৬ শতাংশ প্রার্থী কোটিপতি। অন্য প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর তুলনায় এই হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

টিআইবি বলছে, প্রার্থীদের সম্পদ ও ঋণের এই প্রবণতা রাজনীতিতে অর্থের প্রভাব বাড়ার ইঙ্গিত দেয়। সংস্থাটির মতে, নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে আর্থিক সক্ষমতা ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে, যা সাধারণ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের রাজনৈতিক অংশগ্রহণকে সীমিত করতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রার্থীদের ঘোষিত সম্পদ ও ঋণের তথ্য যাচাই এবং নির্বাচনী ব্যবস্থায় অর্থের প্রভাব কমাতে নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, টিআইবির এই প্রতিবেদন আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থীদের আর্থিক অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করবে এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির প্রশ্নকে সামনে আনবে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়া হলে হাসিনাকে ফেরত নয় কেন—ওয়েইসির প্রশ্

মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়া হলে হাসিনাকে ফেরত নয় কেন—ওয়েইসির প্রশ্