আজ চুক্তি সইয়ের সঙ্গে সঙ্গে হরমুজ প্রণালি খুলবে: ট্রাম্প The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

আজ চুক্তি সইয়ের সঙ্গে সঙ্গে হরমুজ প্রণালি খুলবে: ট্রাম্প

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jun 14, 2026 ইং
আজ চুক্তি সইয়ের সঙ্গে সঙ্গে হরমুজ প্রণালি খুলবে: ট্রাম্প ছবির ক্যাপশন: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য শান্তিচুক্তিকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাড়ছে কূটনৈতিক তৎপরতা।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি নিয়ে নতুন করে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে আলোচিত চুক্তিটি রোববার সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং চুক্তি কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া হতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, চুক্তি স্বাক্ষরের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত নিয়েও মন্তব্য করেন এবং জানান, ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে এসব পারমাণবিক উপাদান নিষ্ক্রিয় করার বিষয়টি বিবেচনায় আসতে পারে।

এদিকে শান্তি আলোচনার অন্যতম মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানও আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জানিয়েছেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই একটি সমঝোতা চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর প্রযুক্তিগত ও কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা শুরু হতে পারে।

তবে ইরান চুক্তির সময়সূচি নিয়ে এখনও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময় এখনো নিশ্চিত নয়। ফলে চুক্তি নিয়ে আশাবাদ থাকলেও কিছু অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, সম্ভাব্য চুক্তির আওতায় শুধু যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ক নয়, বরং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, লেবাননে চলমান সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। এছাড়া ইরানি বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয় নিয়েও আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে।

বিশ্ব জ্বালানি বাজারের জন্য হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। এই নৌপথ দিয়ে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল ও গ্যাস পরিবহন করা হয়। ফলে চুক্তি বাস্তবায়িত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

তবে চুক্তির চূড়ান্ত রূপ, পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত শর্ত এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুগুলো নিয়ে এখনো আলোচনা বাকি রয়েছে। তাই কূটনৈতিক অগ্রগতি সত্ত্বেও সব পক্ষের নজর এখন সম্ভাব্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
জুলাই আন্দোলনে ১,৪০০ জনের মৃত্যুর তথ্য প্রত্যাহারে জাতিসংঘে

জুলাই আন্দোলনে ১,৪০০ জনের মৃত্যুর তথ্য প্রত্যাহারে জাতিসংঘে