নোয়াখালীর সদর উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।
সোমবার সকালে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরএলাহী বাজারে এই কর্মসূচির আয়োজন করে স্থানীয় বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানান।
বিক্ষোভ মিছিলটি চরএলাহী বাজার থেকে শুরু হয়ে প্রধান সড়ক ও বাদামতলা বাজার প্রদক্ষিণ করে পুনরায় চরএলাহী বাজারের জিরো পয়েন্টে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে একটি প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের একাধিক নেতা বক্তব্য রাখেন। বক্তাদের মধ্যে ছিলেন চরএলাহী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হোসেন মেম্বার, যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. ইসমাইল হোসেন তোতা, সাবেক সহ-সভাপতি মহিন উদ্দিন এবং ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক রুবেলসহ অন্যান্য নেতারা।
তারা অভিযোগ করে বলেন, নোয়াখালীর কালাদরাপ ইউনিয়নে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে, যা একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক সহিংসতার অংশ। বক্তারা দাবি করেন, এ ধরনের ঘটনা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের নেতাকর্মীরা এ ধরনের হামলা ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে দ্রুত তদন্ত ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের আহ্বান জানান।
এ ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বক্তারা বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও গণতান্ত্রিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। তারা শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এ ধরনের সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগ এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত ও নিরপেক্ষ ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
সব মিলিয়ে, কালাদরাপ ইউনিয়নে ছাত্রদল নেতাদের ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নোয়াখালীতে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এবং এর প্রতিবাদে বিএনপির কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হলো।
কসমিক ডেস্ক