ঢাকায় ১১ ফিলিং স্টেশনে কিউআর ফুয়েল পাস চালু The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

ঢাকায় ১১ ফিলিং স্টেশনে কিউআর ফুয়েল পাস চালু

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Apr 25, 2026 ইং
ঢাকায় ১১ ফিলিং স্টেশনে কিউআর ফুয়েল পাস চালু ছবির ক্যাপশন:

রাজধানীর জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও আধুনিকতা আনার লক্ষ্যে নতুন একটি ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে সরকার। এর অংশ হিসেবে ঢাকার ১১টি নির্দিষ্ট ফিলিং স্টেশনে কিউআর কোডভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের আইসিটি শাখা এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ২৮ এপ্রিল থেকে এই নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হবে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে মূলত মোটরসাইকেল চালকদের জ্বালানি সরবরাহকে আরও নিয়ন্ত্রিত ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালনা করা হবে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত ১১টি ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি নিতে হলে ব্যবহারকারীদের অবশ্যই ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপের মাধ্যমে কিউআর কোড স্ক্যান করে লেনদেন সম্পন্ন করতে হবে।

নির্ধারিত ফিলিং স্টেশনগুলোর মধ্যে রয়েছে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা যেমন শাপলা চত্বর, মহাখালী, উত্তরা, তেজগাঁও, মিরপুর ও গাবতলী। এর মধ্যে রয়েছে—

করিম এন্ড সন্স (শাপলা চত্বর), ইউরেকা এন্টারপ্রাইজ (মহাখালী), মাসুদ হাসান ফিলিং স্টেশন (উত্তরা), সততা এন্ড কোম্পানি (তেজগাঁও), দিপ্ত ফিলিং স্টেশন (মিরপুর), কামাল ট্রেডিং এজেন্সি (তেজগাঁও), এস.পি. ফিলিং স্টেশন (গাবতলী), সিটি ফিলিং স্টেশন, সেবা গ্রীন ফিলিং স্টেশন (উত্তরা), স্যাম এসোসিয়েটস (মিরপুর) এবং সুমাত্রা ফিলিং স্টেশন (কালশী রোড)।

জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো জ্বালানি বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনা, অনিয়ম কমানো এবং ডিজিটাল ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু করা। এতে করে কতটুকু জ্বালানি কোথায় যাচ্ছে তা সহজেই মনিটর করা সম্ভব হবে।

বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকদের জন্য এই ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। তারা নির্ধারিত অ্যাপে রেজিস্ট্রেশন করে কিউআর কোডের মাধ্যমে জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের ডিজিটাল সিস্টেম জ্বালানি খাতে দুর্নীতি ও অপচয় কমাতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে এটি ভবিষ্যতে পুরো জ্বালানি ব্যবস্থাকে স্মার্ট সিস্টেমে রূপান্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তবে সাধারণ ব্যবহারকারীদের মধ্যে কিছুটা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। অনেকে বলছেন, নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারে শুরুতে কিছুটা জটিলতা তৈরি হতে পারে, বিশেষ করে যারা স্মার্টফোন ব্যবহার কম করেন তাদের জন্য।

অন্যদিকে কর্তৃপক্ষ বলছে, ধাপে ধাপে এই ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হবে এবং ব্যবহারকারীদের সহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও সহায়তা কেন্দ্র চালু করা হবে।

সব মিলিয়ে, রাজধানীর জ্বালানি ব্যবস্থায় এই নতুন উদ্যোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করছে, যা ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য শহরেও সম্প্রসারিত হতে পারে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
সন্ত্রাস ও সহিংসতার আহ্বানযুক্ত সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট রিপোর্ট

সন্ত্রাস ও সহিংসতার আহ্বানযুক্ত সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট রিপোর্ট