বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে ঘিরে দেশের জনপ্রিয় তারকাদের অংশগ্রহণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর এক ভিন্ন আবহ। বর্ষবরণের আনন্দ, বৈশাখী সাজ এবং শুভেচ্ছা বার্তায় ভরে উঠেছে ফেসবুক ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম। তারকাদের এই রঙিন উপস্থিতি ভক্তদের মাঝে তৈরি করেছে বাড়তি উচ্ছ্বাস ও আগ্রহ।
অভিনেত্রী জয়া আহসান বৈশাখকে নিজের ঘরোয়া আয়োজনের মাধ্যমে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি নিজ হাতে পান্তা-ইলিশের আয়োজন করে সেই মুহূর্তের ছবি শেয়ার করেছেন সামাজিক মাধ্যমে। তাঁর পোস্টে উঠে এসেছে বাঙালিয়ানার গভীর অনুভূতি, যেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন পান্তা-ইলিশের পাশাপাশি বেলুন, শুটার, ফরচুন টেলার, হাওয়াই মিঠাই, মুড়িমাখা এবং পিঠাপুলির মতো নানা বৈশাখী উপাদান। তার এই আয়োজন যেন ঘরেই তৈরি করেছে উৎসবের আবহ।
অন্যদিকে অপু বিশ্বাস বৈশাখী রঙে নিজেকে সাজিয়ে তুলেছেন গাঢ় নীল ব্লাউজ ও শাড়ির পাড়ের সমন্বয়ে। তার শেয়ার করা ছবিতে তিনি নতুন দিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, প্রতিটি দিন নতুন রঙে রাঙিয়ে উঠুক। বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে তিনি ভক্তদেরও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আন্তরিকভাবে।
জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম বৈশাখে হাজির হয়েছেন এক ভিন্ন রূপে। খোলা চুল, ছোট্ট টিপ এবং শাড়িতে তিনি তুলে ধরেছেন গ্ল্যামারাস লুক। তার বার্তায় নতুন সূর্যের আলোয় নতুন স্বপ্নের সূচনা করার আহ্বান ছিল, যা ভক্তদের হৃদয়ে বিশেষভাবে জায়গা করে নিয়েছে।
অভিনেত্রী সাফা কবির সংক্ষিপ্ত বার্তায় শুধু শুভ নববর্ষ ১৪৩৩ জানিয়েছেন, যা সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
অন্যদিকে তানজিন তিশা নীল পাড়ের কমলা শাড়িতে বৈশাখী সাজে নজর কেড়েছেন। তার উপস্থিতি সামাজিক মাধ্যমে বিশেষভাবে আলোচিত হয়। একইসঙ্গে কেয়া পায়েলকে স্লিভলেস জামায় দেখা গেছে, যা বর্ষবরণের ফ্যাশন ট্রেন্ডে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
এছাড়াও বৈশাখী উৎসবে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দেখা গেছে আরও অনেক তারকাকে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রবীণ অভিনেত্রী দিলারা জামান, দীপা খন্দকার, আনিকা কবির শখ, নাবিলা ইসলাম, তাহমিনা সুলতানা মৌ, চঞ্চল চৌধুরী, সুমাইয়া শিমু এবং শবনম ফারিয়া। তাদের উপস্থিতি বর্ষবরণের আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত ও বর্ণিল করে তুলেছে।
সব মিলিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারকাদের বৈশাখী উদযাপন তৈরি করেছে এক রঙিন উৎসবের আবহ। ছবি, শুভেচ্ছা বার্তা এবং বৈশাখী সাজে ভক্তদের সঙ্গে নিজেদের আনন্দ ভাগ করে নিয়েছেন তারা। এই নববর্ষে তারকাদের অংশগ্রহণ বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে আরও প্রাণবন্তভাবে তুলে ধরেছে, যা সার্বিকভাবে নববর্ষের উৎসবকে করেছে আরও স্মরণীয়।