সংসদ নির্বাচনে অর্থের উৎস নিয়ে ভিন্ন বাস্তবতা The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

সংসদ নির্বাচনে অর্থের উৎস নিয়ে ভিন্ন বাস্তবতা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jan 6, 2026 ইং
সংসদ নির্বাচনে অর্থের উৎস নিয়ে ভিন্ন বাস্তবতা ছবির ক্যাপশন:
ad728

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের নির্বাচনি ব্যয়ের পরিকল্পনায় স্পষ্টভাবে ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা ও ব্যয়ের বিবরণী বিশ্লেষণে উঠে এসেছে—কেউ পুরোপুরি নিজস্ব তহবিলের ওপর নির্ভর করছেন, কেউ দলীয় অনুদানকে প্রধান উৎস হিসেবে দেখাচ্ছেন, আবার কেউ জনসাধারণের সহায়তায় অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দুইটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এবং উভয় ক্ষেত্রেই নিজস্ব কৃষি খাত ও ব্যাংক আমানত থেকে নির্বাচনি ব্যয় বহনের কথা উল্লেখ করেছেন। হলফনামা অনুযায়ী, তার সম্পদ ও আয়ের উৎস মূলত সঞ্চয়, বিনিয়োগ ও আমানতনির্ভর। একই দলে থাকা অন্য প্রার্থীরাও অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিজস্ব ফান্ড থেকে ব্যয়ের পরিকল্পনা দেখিয়েছেন, যদিও কিছু ক্ষেত্রে ঘোষিত ব্যয় নির্ধারিত সীমার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি দেখানো হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ভিন্ন একটি চিত্র দেখা যায়। দলটির শীর্ষ নেতারা ব্যক্তিগত তহবিলের পাশাপাশি দলীয় ফান্ড ও আত্মীয়স্বজনের অনুদানের ওপর নির্ভরশীলতা বেশি দেখিয়েছেন। হলফনামায় তাদের আয় ও সম্পদের তথ্যের সঙ্গে মিল রেখে ব্যয়ের পরিকল্পনা তুলনামূলকভাবে সীমার মধ্যে রাখা হয়েছে বলে দেখা যাচ্ছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থীরা মূলত ক্রাউড ফান্ডিংয়ের ওপর নির্ভর করে নির্বাচনি ব্যয় মেটানোর কথা উল্লেখ করেছেন। দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ একাধিক প্রার্থী নিজস্ব তহবিলের পরিমাণ সীমিত রেখে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অনুদান সংগ্রহকে প্রধান উৎস হিসেবে দেখিয়েছেন। তাদের মতে, এই পদ্ধতিতে নির্বাচনি ব্যয়ের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ একটি কাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব।

নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা অনুযায়ী, ভোটার সংখ্যার ভিত্তিতে প্রার্থীদের ব্যয়সীমা নির্ধারিত রয়েছে। অধিকাংশ আসনেই এই সীমা ২৫ লাখ টাকার বেশি হলেও, ঘোষিত সম্ভাব্য ব্যয়ের সঙ্গে বাস্তবতার ফারাক নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা ব্যয়ের উৎস ও পরিমাণ নির্ধারণে ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছেন।

এদিকে সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিয়ে কাজ করা সংস্থাগুলো অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে নির্বাচনি ব্যয়ের বাস্তব চিত্র নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, নির্বাচনি ব্যয়ের উৎস, বৈধতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা না গেলে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অর্থের প্রভাব প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আসন্ন নির্বাচনে ঘোষিত ব্যয় ও বাস্তব ব্যয়ের ব্যবধান কতটা থাকে, সেটিই ভবিষ্যতে রাজনৈতিক অর্থায়ন নিয়ে আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠবে।

আপনি চাইলে এটিকে আরও সংক্ষিপ্ত সংস্করণ, ফেসবুক-ফ্রেন্ডলি নিউজ, অথবা সম্পাদনা করে একেবারে নিজস্ব স্টাইলেও রূপান্তর করে দিতে পারি।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ছয় মাসে এনবিআরের রাজস্ব ঘাটতি প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা

ছয় মাসে এনবিআরের রাজস্ব ঘাটতি প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা