কুমিল্লার চান্দিনায় উপজেলা শিক্ষা প্রকৌশলীর কার্যালয় ছয় মাস ধরে বন্ধ থাকার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, শিক্ষা প্রকৌশলী নিয়মিত অফিসে না আসার পরও বেতন উত্তোলন করছেন এবং সরকারি কাজের ঠিকাদারদের কাছ থেকে কমিশন গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে।
চান্দিনা উপজেলা পরিষদের পশ্চিমপাশে অবস্থিত এই অফিসটি সম্প্রতি কয়েক লক্ষ টাকা ব্যয়ে সংস্কার করা হয়েছে। তবে সংস্কারের পরও গত ছয় মাস ধরে অফিসের প্রধান ফটকে তালা ঝুলানো রয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ অফিসে আসলেও কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি।
চান্দিনা সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিখিল ভৌমিক বলেন, “আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য ২০ লাখ টাকার সংস্কার করা হয়েছে, কিন্তু শিক্ষাপ্রকৌশলী কার্যালয়ে এসে একদিনও দেখা দেননি। কেবল বিদ্যালয়ে গিয়ে কাগজপত্র স্বাক্ষর করেছেন।”
অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানরা জানান, বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ ও সংস্কার কাজ সবই শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে হয়। কিন্তু কর্মকর্তার অনুপস্থিতির কারণে তাদের অনেক সময় হতাশার মুখোমুখি হতে হয়।
চান্দিনা উপজেলা শিক্ষা প্রকৌশলী লক্ষণ সূত্রধর জাং বলেন, “চান্দিনা অফিসে কাজ কম থাকার কারণে আমার নিয়মিত যাওয়া হয় না। আমি কুমিল্লা থেকে কাজ সম্পন্ন করে ফিরে আসি। এছাড়া তিতাস উপজেলায়ও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করি। জেলাতেও অফিস করি।” তিনি আরও জানান, চান্দিনায় আসলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে দেখা করবেন।
চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ আশরাফুল হক বলেন, “কয়েক মাস আগে কার্যালয়ে সংস্কার কাজ চলছিল। তবে শেষ হয়েছে কি না সে বিষয়ে আমাকে বিস্তারিত অবহিত করা হয়নি। বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
কসমিক ডেস্ক