মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে পড়া যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসের দাম বেড়েছে। গত ছয় দিনে জ্বালানি গ্যাসের দাম ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অদূর ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই বিষয়ে তিনি একেবারেই মাথাব্যথা বোধ করছেন না।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “আমি এ নিয়ে একেবারেই চিন্তা করছি না। এখন গ্যাসের দাম বাড়ছে, আবার যুদ্ধ শেষ হলেই দ্রুত দাম কমে যাবে। তাই গ্যাসের দাম যদি বাড়ে তো বাড়ুক। ইরানে এখন যুদ্ধ চলছে এবং এটি গ্যাসের দাম বৃদ্ধির চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”
যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা ও টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে ভূগর্ভস্থ জরুরি তেলের মজুত বিশ্বের বৃহত্তম। তবে ট্রাম্প জানিয়েছেন, আপাতত তিনি এই মজুত ব্যবহার করতে চাইছেন না।
তিনি আরও বলেন, “হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হলেই বৈশ্বিক জ্বালানির বাজার আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসবে, এবং শিগগিরই তা ঘটবে। জ্বালানির বাজার চড়া থাকার মূল কারণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের সীমিততা। তবে মার্কিন সেনারা শিগগিরই ইরানের নৌবাহিনীকে সাগরের তলায় পাঠিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করবে।”
উল্লেখ্য, ইরানের সঙ্গে পরমাণু প্রকল্প সংক্রান্ত কোনো সমঝোতা ছাড়া ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী অপারেশন এপিক ফিউরি শুরু করে। একই সময়ে ইসরায়েলও অপারেশন রোয়ারিং লায়ন নামের সামরিক অভিযান শুরু করে। ট্রাম্পের এই বক্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে, গ্যাসের দাম বৃদ্ধির মধ্যেও তার রাজনৈতিক মনোযোগ সম্পূর্ণভাবে মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক কর্মকাণ্ডে কেন্দ্রীভূত।
কসমিক ডেস্ক